জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও উপজেলা প্রশাসন নিরব

 আছানুল হক, কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি:  কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে, জনসমাগম থেকাতে সরকারের ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকায়।

এ বিষয়ে একাধিক সচেতন এলাকাবাসী জানান,সরকার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার জন্য হঠাৎ গত ১০ তারিখ থেকে লকডাউন শিথিল ঘোষণা দেন। এবং সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা নির্দেশনা দেন, কিন্তু ব্যবসায়ীরা সীমিত পরিসর কে পুঁজি করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটায় করে এবং কোন স্বাস্থ্যবিধি মানেন না। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার কারনে জেলা ও উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতামতের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন পুনরায় আবার অঘোষিত লকডাউন ঘোষণা করেন।

এবং কঠোর হুঁশিয়ারি দেন কোথাও লোকসমাগম না হওয়ার জন্য। জেলা প্রশাসক নির্দেশনা দিলেও উপজেলা প্রশাসন একেবারেই নীরব। দু’একটি ছোটখাটো অভিযান ছাড়া তেমন কোন উপজেলা প্রশাসনের সচেতনামূলক কোন অভিযান চোখে পড়েনি। উপজেলার প্রতিটি বাজারে সকাল ৬ টা থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত প্রত্যেকটি দোকানপাট খোলা থাকছে, ব্যবসার কৌশল অবলম্বন করেছে।দোকানের সামনে একজন ব্যক্তিকে বসিয়ে রেখেছে কাস্টমার এলে শাটার দরোজা উঠিয়ে সাথে সাথে ভেতরে প্রবেশ করিয়ে নিয়ে শাটার দরোজা নামিয়ে দিচ্ছে । দোকানের ভিতর ব্যাপক লোকসমাগম হচ্ছে।

এমনকি ইফতারের পরে প্রত্যেকটা বাজার রমরমা ব্যবসার স্থান হয়ে উঠছে।আমরা কঠিন ঝুঁকির মধ্যে আছি কারণ কুষ্টিয়ার সকল উপজেলা মিলে আক্রান্ত সংখ্যা যত তার সমান আক্রান্তের সংখ্যা দৌলতপুর উপজেলায়। এ বিষয়ে বারবার উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি এবং লকডাউন যতদিন থাকবে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হবে।