জীবিত থাকতে খোকাকে দেশে আসতে দেয়নি সরকার: মির্জা ফখরুল

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

জীবিত থাকতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে দেশে আসতে দেয়নি সরকার এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।  এসময় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

এ সময় দলটির মহাসচিব বলেন, সাদেক হোসেন খোকা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অনেকবার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। সারা জীবন মানুষের সেবা করে গেছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তিনি বিদেশে ছিলেন। খোকার মরদেহ দেশে এসেছে আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

খোকার মতো একজন মুক্তিযোদ্ধাকে জীবিত থাকতে দেশে ঢুকতে না দেয়াকে জাতির জন্য লজ্জা অভিহিত করে তিনি আরো বলেন এ রকম ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
৭ নভেম্বরের চেতনায় জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলেও ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল।

‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের’ কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সিপাহী-জনতা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে। আমরা বরাবরই এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।’

‘জোর করে ক্ষমতা দখল করে রাখা এই নতজানু সরকার বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে অভিযোগ করে ফখরুল আরো বলেন আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের পক্ষের সরকার গঠন করতে আমরা সক্ষম হবো।
শ্রদ্ধা নিবেদনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন।