জামালপুরে চিকিৎসক ও শিশু সহ ২৮জনের করোনা শনাক্ত ,মোট আক্রান্ত ১৪৪

মো: শামীম হোসেন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি: জামালপুরের গত ২৪ঘন্টায় রেকর্ড এক চিকিৎসকসহ ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রামণ শনাক্ত হয়েছে। রবিবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে ২য় ধাপে ৮জন ও ৩য় ধাপে ১৭জনের এবং জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে প্রথম ধাপে ৩জন, মোট ২৮জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে করোনা সংক্রামণ ধরা পড়ে। বরিবার(১৭মে) ওই ব্যক্তিদের দেহে করোনা পজেটিভ শনাক্ত নিশ্চিত করেছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলার সরকারী হাসপাতালের ১২জন চিকিৎসক ও ৪৩জন স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে । এছাড়াও নতুন করে শনাক্তের মধ্য রয়েছে জামালপুর সদরে-৩, মেলান্দহে-২১,সরিষাবাড়ী-২,বকশীগঞ্জ-১,দেওয়ানগঞ্জ -১ জন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান সোহান জানান, বরিবার ২য় ও ৩য় ধাপে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জন এবং জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে একজন চিকিৎসক সহ ৩জন করোনা শনাক্ত হয়। ওই ব্যক্তিরা নিজ নিজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নমুনা দিয়েছিল।জেলায় নতুন করে ২৮জনকে নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৪। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জামালপুর সদরে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ৫২ বছর বয়সী সহকারী অধ্যাপক( অর্থোপেডিক) ও ২৯ বছর বয়সী এক যুবক সে একটি মোবাইলের দোকানের কর্মচারী তার বাড়ী শহরের কাচারী পাড়া এলাকায় এবং ঢাকা ডিএমপির পুলিশের এক এ এস আই ৪৩ বছর বয়সী সে সম্প্রতি ঢাকা থেকে তার গ্রামের জামালপুর সিমান্তবর্তী ১১নং বলায়ের চর ইউনিয়নের চর শ্রীপুর গ্রামের বাড়ীতে আসে ।

মেলান্দহ উপজেলার আদিপৈত গ্রামের ৫৭বছর বয়সী এক পল্লী চিকিৎসক ও ৫নং নয়া নগর গ্রামের ২৫ বছর বয়সী এক যুবক সে দাগি কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মী এবং ফুলকোচা ইউনিয়নের রেখির পাড়া গ্রামের মেলান্দহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মীর ৬বছর বয়সী মেয়ে , মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২৮ বছর বয়সী এক স্বাস্থ্যকর্মী ও মেলান্দহ পৌর এলাকর নাগের পাড়া গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী এক বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল প্রমোশন অফিসার এদিকে সরিষাবাড়ী উপজেলার বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক পরিচালক ৫৫ বছর বয়সী ও একই প্রতিষ্ঠানের ২৪বছর বয়সী স্বাস্থ্যকর্মী তার বাড়ি উপজেলার ধানাটা পৌর এলাকায় কবশীগঞ্জ সারমারা ইউনিয়নের গোলাপপুর গ্রামের ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিদের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে পরবর্তী সময় নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিলে তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ আসে।

এছাড়াও আক্রান্ত আরও ১৭ জনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এনিয়ে জেলায় ১২ চিকিৎসক, একজন পল্লী চিকিৎসক ও ৪৩ জন সরকারী স্বাস্থ্যকর্মী এবং ১০জন বেসরকারী স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হলেন।আক্রান্তু ১৪৪ জনের মধ্যে ৩জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ।এদের মধ্যে ২ নারীর ও এক পুরুষ ছিল। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৩জন।