ছোট ফেনী নদী থেকে ২ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ১,

হাসান ইমাম রাসেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: ছোট ফেনী নদীতে ঝাঁকি জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া দুই পর্যটকের মৃতদেহ পৃথক পৃথক সময়ে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে ঘটনার ২২ ঘন্টা পরে ওমান প্রবাসী মো.আনোয়ার হোসেন (৩৬)’র মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি দল। সে ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার ৫নং ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দেবরামপুর গ্রামের মো.সাহাব উদ্দিন’র ছেলে।

এর আগে, ঘনটার ৭ ঘন্টা পর গতকাল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নজরুল ইসলাম স্বপন (৩৫) নামে আরও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সে ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার ৫নং ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দেবরামপুর গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন’র ছেলে।

কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জামিন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত আরও ১ পর্যটক নিখোঁজ রয়েছে। সে দাগনভূঞা উপজেলার ৫নং ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দেবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং বসুরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান (২০)।

ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনার প্রথম দিনে ঘটনাস্থলে ৭ ঘন্টা উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়েছে ২ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করে। আজকে দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। এর আগে, শনিবার সকাল ১০টার দিকে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ক্লোজারের পশ্চিম অংশে ছোট ফেনী নদীর মিষ্টি পানিতে ৩ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছিল।

মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন ঘটনাস্থল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২৩জন পর্যটক আজ সকালে ঘুরতে মুছাপুর ক্লোজারে আসে। পরে তাদের মধ্যে থেকে ৭জন ঝাঁকি জাল দিয়ে শখ করে ছোট ফেনী নদীর মিষ্টি পানির অংশে মাছ ধরতে নামে।

এক পর্যায়ে হঠাৎ জোয়ারের পানিতে ৩জন তলিয়ে গিয়ে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল হক মীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আরও ২জন পর্যটক এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে।

তাদেরকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি আরও জানান, দুপুরের দিকে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ওই স্থানে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকল জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।