‘চ্যানেল এস’ স্যাটেলাইট টিভি নাকি আইপি টিভি?

হ্যাঁ, এই প্রশ্ন আমারও!

‘চ্যানেল এস’ বিগত প্রায় ৬ বছর যাবৎ স্যাটেলাইট টেলিভিশন হিসেবে সম্প্রচার হয়ে আসছে, এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তাছাড়া ‘চ্যানেল এস’ স্যাটেলাইট টিভির পাশাপাশি আইপিটিভি হিসেবে সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন। অদূর ভবিষ্যতে নতুন কোন মাধ্যম চালু হলে সেই মাধ্যমেও থাকতে চায় চ্যানেল এস।

আপনারা অবগত আছেন, সম্প্রতি দেশের স্যাটেলাইট টিভিগুলোকেও আইপি টিভি লাইসেন্স বা ছাড়পত্র নিতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। যেহেতু দেশের সকল টেলিভিশনের ওয়েব সাইট, অনলাইন স্টিমিং ও অনলাইন কার্যক্রম চালু রয়েছে, সেক্ষেত্রে আইপি টিভির অনুমতি নিতে হবে সকলকে। একইভাবে দৈনিক পত্রিকাগুলোর অনলাইন পোর্টালগুলোর জন্য আলাদা লাইসেন্স বা ছাড়পত্র নিতেও নিয়ম করেছে সরকার।

অবাধ তথ্য প্রবাহ আর বিশ্বায়নের এই যুগে গুরুত্ব এবং প্রয়োজনের তাগিদে অনলাইন গণমাধ্যম মানুষের জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গতে পরিণত হয়েছে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের গুরুত্ব বিবেচনা করে দেশে প্রায় ৪৪টি স্যাটেলাইট চ্যানেল এবং অসংখ্য অনলাইন পোর্টালের অনুমোদন দিয়েছেন। সুনির্দিষ্ট সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের আইপি টিভিগুলোকে স্যাটেলাইট টিভির সাথে সমান্তরালভাবে চলার অনুমোদন দেয়া হলে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। আইপি টিভিগুলোর বিষয়ে সরকারের চিন্তা ভাবনা করার সময় এসেছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা করছেন। আশা করি, এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে আশাব্যঞ্জক নির্দেশনা আসবে অতি শীঘ্রই।

 

সুজিত চক্রবর্তী

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

চ্যানেল এস

www.facebook.com/sujitcb