চিলমারীতে লকডাউন মানা হচ্ছে না করোনা আক্রান্ত এলাকায়

মজাহারুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রথম করোন আক্রান্ত রোগীর বাড়ীসহ ১০বাড়ী লকডাউন করা হলেও তা মানছে না লকডাউনকৃত বাড়ীর লোকজন। এলাকাবাসীর দাবী রোগীকে বাড়ীতে রেখে দায়সাড়াভাবে বাড়ীগুলো লকডাউন করায় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে ওই এলাকার মানুষকে। শুক্রবার উপজেলার মাচাবান্দা নামাচর এলাকার ৩০বছর বয়সী এক যুবকের শরীরে কোভিট-১৯ এর অস্থিত্ব পাওয়া গেলে বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত যুবকের বাড়ীসহ ওই এলাকার ১০টি বাড়ী লকডাউন করে দেয়।
শনিবার সকালে সরেজমিনে উপজেলার মাচাবান্দা নামাচরে করোনা আক্রান্ত রোগীর এলাকায় গিয়ে লকডাউনকৃত সকল বাড়ীর লোকজনকে অবাধে বিচরণ করতে দেখা যায়। এসময় লকডাউন করা এক বাড়ীর কর্তা এ প্রতিনিধিকে জানান, শুক্রবার বিকেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইক দিয়ে করোনা আক্রান্তের বাড়ীসহ ১০টি বাড়ী লকডাউন করতে বলেছে। আমরা লকডাউন বুঝি না, কি করতে হবে তাও জানি না। তিনি আরও বলেন, আমরা কাজের মানুষ, কাজ না করলে খাবো কি? এলাকাবাসীর অভিযোগ করোনা আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে না নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ দায়সাড়াভাবে ১০টি বাড়ী লকডাউন দেখায় ঝুঁকির মুখে রয়েছেন তারা। এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম জানান, রোগীকে দেখে তার কোন লক্ষন না থাকায় বাড়ীতে থাকতে বলা হয়েছে।
পর্যাক্রমে সকলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠানো হবে। চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, করোনা আক্রান্ত এলাকায় তাৎক্ষনিক ১০টি বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে। এলাকাটিতে যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায় সে লক্ষে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ, ডব্লিউ, এম রায়হান শাহ্ বলেন, রোগীর বাড়ীসহ ১০টি বাড়ী লকডাউন করে স্বাস্থ্য বিভাগকে স্বাস্থ্য বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে ।