চামড়া যাচ্ছে ‘জলের দরে’

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া পানির দরে বিক্রি হয়েছে।প্রকারভেদে প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৪০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায় কেনা হয়েছে। তবে বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৬০০ টাকায় নেয়া হয়।

অবিশ্বাস্য কম দরের কারণে মাদ্রাসা ও এতিমখানা চামড়া বিক্রি থেকে নামমাত্র অর্থ পেয়েছে। কোরবানিদাতার দরিদ্র আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা হয়েছেন বঞ্চিত। এতে করে সারাদেশের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

চারটি গরুর চামড়া ১৬০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। আর তিনটি খাসির চামড়া ‘ফ্রি’ দিতে হয়েছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চৌমুহনীর এক আড়তদারের প্রতিনিধি জানান, ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে তারা চামড়া কিনে নিচ্ছেন। কিছু লাভে সেগুলো আড়তে পাঠিয়ে দেবেন। একজন ক্রেতা বলেন, বড় গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ ও মাঝারি গরুর চামড়া ৩০০-৩৫০ টাকায় কিনেছেন।

আর ৪ পিছ ছাগলের চামড়া কিনেছেন ১০ টাকায়। বড় বড় ব্যবসায়ীরা দোকান বা রাস্তার পাশে বসে দিনভর চামড়া কিনেছেন। মূল্য কম হওয়ায় অনেক কোরবানিদাতা চামড়া বিক্রি না করে মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন।

চট্টগ্রামে আজ সকালেও রাস্তার ধারে অবিক্রিত চামড়া পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব চামড়া নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো এখনো বিক্রি হয়নি। ‌‌‌‘পানির দরে’ চামড়া বিক্রি হচ্ছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

অনেকেই পশুর চামড়া মাদরাসায় দান করে থাকেন। এবছর মাদরাসাগুলো চামড়া পাচ্ছে কম। যা পেয়েছে তাও খুব দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।