চাঁদপুর সদরের ১৪ ইউপি চেয়ারম্যান করোনা প্রতিরোধে মাঠে সক্রিয়

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার,চাঁদপুর প্রতিনিধি: জনগনের ভোটে নির্বাচিত, জনপ্রতিনিধিদের জনগনের জন্য ভূমিকা কি, কিভাবে কাজ করলে জনগনের সার্বিক মঙ্গল হবে, জনগন ভাল থাকতে পারবে, সম্প্রতি সময়ের করোনা পরিস্থিতিতে জনপ্রতিনিধিদের সে দায়িত্ব ফুটে উঠেছে আয়নার মত। সম্প্রতি সময়ের বিশ্ব করোনা প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিগন যে ভাবে কাজ করছে, তা সত্যি কালের আবর্তনে একদিন ইতিহাস হয়ে থাকবে।  চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বের করোনা পরিস্থতি মোকাবেলায় জনসাধারনের ভালমন্দের বিষয়গুলো দেকভাল করছেন। সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী তাদের জীবনের মায়াকে জলাঞ্জলী দিয়ে অবিরাম ছুটে চলছেন জনসাধারনের দৌড় গোড়ায়।

অসহায়, দুস্থ্য ও মধ্য বিত্তদের ঘরে ঘরে সরকারি ত্রানের পাশাপাশি ব্যাক্তি উদ্যোগের ত্রান পৌছে দিচ্ছেন। যেখানে করোনার ভয়ে জনসাধারন নিজের প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে, সেখানে চাঁদপুর সদরের প্রতিটি ইউপি চেয়ারম্যান জনগনের শতভাগ সেবা নিশ্চিত এবং তাদেরকে করোনা ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য নিজের পরিবার পরিজন, ছেলে মেয়ে, আত্মীয় স্বজনের কথা ভুলে এক অনিশ্চত জীবনের দিকে ছুটে চলছেন, জনসাধারনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারনা করে জনসাধারনকে সচেতন করা অব্যাহত রেখেছেন। দিন নেই রাত নেই, শুধু জনপ্রতিনিধির ভূমিকার কথা চিন্ত করে ইউনিয়নগুলোর হাট-বাজার-দোকান পাটে সাধারন জনগনকে সচেতন করার জন্য প্রচারনা করে যাচ্ছেন।

ওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, চাঁদপুর হাইমচর-৩ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের রুপকার, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী চাঁদপুর সদরের ১৪টি ইউপি চেয়ারম্যান সরকারি নির্দেশনা যথাযথা ভাবে পালন করে যাচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতির সচেতনতার জন্য অবিরাম কাজ করছেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১নং বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামীম ইউনিয়নের অসহায় দুস্থ্যদের মাঝে সরকারি ত্রান যথা নিয়মে তালিকা করে বিতরন করে তৃনমূলের কাছে পৌছে দিচ্ছেন। এ ছাড়া ও তিনি মধ্যবিত্তদের মাঝে গোপনে ত্রান বিতরন করছেন। সার্বক্ষনিক অসহায়দের সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সেবা করে চলছেন।

২নং আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক প্রচারনার পাশাপাশি সরকারি ত্রান বিতরন সঠিক ভাবে করে যাচ্ছেন।এ ছাড়া ও তিনি ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ইউনিয়নের দুস্থ্যদের মাঝে চাল ডাল, পেয়াজ, লবন, সাবান ও নগদ টাকা দিয়েছেন।

৩নং কল্যানপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটওয়ারী হটলাইনের মাধ্যমে ত্রান প্রত্যাশিদের তালিকা করে বাড়ি বাড়ি ত্রান পৌছে দিয়ে ইউনিয়নে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। প্রশংসায় ভেসেছেন। এ ছাড়া ও সরকারি ত্রানগুলো তিনি যথা নিয়মে বিতরন করে যাচ্ছেন। শত সমালোচনার মাঝে ও তার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ও ত্রান বিতরন করে চলছেন।

৪নং শাহমাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ ইউনিয়নে গরিব অসহায় দুস্থ্যদের সব সময় খোঁজ খবর নিচ্ছেন, সরকারি ত্রানগুলো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করে বিতরন করা অব্যাহত রেখেছেন। ইউনিয়নের হাট বাজারগুলো নিয়মিত মনিটরিং করে যাচ্ছেন, গ্রামঅঞ্চলের দোকানগুলোতে চা বিক্রি বন্ধসহ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন।

৫নং রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী করোনা পরিস্থিতে ইউনিয়নে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে সেবা দিয়ে চলছেন, দূরত্ব বজিয়ে রেখে ইউনিয়নে সরকারি ত্রানগুলো বিতরন অব্যাহত রেখেছেন। রামপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর পর ও তিনি থেকে নেই, বুকে সাহস নিয়ে অবিরাম করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন, সকলকে সচেতন করে যাচ্ছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ব্যাক্তিকে দাফন কাপন পর্যন্ত উপস্থিত থেকে সদগার সম্পন্ন করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। এক তিল পরিমান জীবনের মায়া না করে রামপুরের মানুষের সেবায় ছুটে চলছেন তিনি। জেলার শ্রেষ্ঠ,

৬নং মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক ইউনিয়নবাসীর জন্য যেন হাতেমতাই হয়ে তার আর্বিভাব হয়েছে। আলোর ফেরিওলা হয়ে মৈশাদীর মানুষের সেবা দিচ্ছেন ।করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রথম থেকেই তিনি সচেতনতামূলক প্রচারনা শুরু করেন। ইউনিয়নের জন্য সরকারি বরাদ্ধকৃত ত্রানগুলো যথা নিয়েমে বিতরন করে চলছেন। প্রতিটি ওয়ার্ড মেম্বারগনকে সাথে নিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনসাধারনকে সচেতন করে যাচ্ছেন। ইউনিয়ন কয়েক হাজার মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটেশান, হ্যান্ড গ্লাভস, সাবান ঔষুধ বিতরন করেছেন। এবং সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতা আবুল কালাম চিশতীর মাধ্যমে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মাঝে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড গ্লাভস, ঔষুধ বিতরন করেছেন। ইউনিয়নের মানুষের জন্য সততা স্টোর চালু করেছেন। যাতে ক্রয়কৃত মূল্য থেকে ৩০% ছাড়ে মালা মাল বিক্রি করে রিতিমত তাকলাগিয়ে দিয়েছেন। গোপনে গোপনে মধ্যবিত্তদের বাড়িতে বাড়িতে ত্রান পৌছে দিচ্ছেন। ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশকে সিপটি বাই সিপটি ডিউটিতে রেখেছেন। দোকানপাটগুলো বন্ধ রাখার জন্য কয়েক বার মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করেছেন। অসুস্থ্য বাবা মা, স্ত্রী ছেলে সন্তানকে রেখে শুধু ইউনিয়নের মানুষের মঙ্গলের জন্য অবিরাম কাজ করছেন এ মানুষটি।

৭নং তরপুচন্ডী ইউপি চেয়ারমান ইমাম হাসান রাসেল গাজীর ইউনিয়নে অসহায়,দুস্থ্যদের মাঝে সরকারি ত্রান বিতরন করে চলছেন। জনসাধারনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সবাইতে সচেতন করে চলছেন।

৮নং বাগাদী ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বিল্লাল, ইউনিয়নে সচেতনমহলকে সাথে নিয়ে করোনা পরিস্থিতি প্রতিরোরে জন্য সব কাজ করে যাচ্ছেন, সরকারি ত্রানগুলো বিতরন সঠিক ভাবে করে চলছেন। অসহায় দুস্থ্যদের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

৯নং বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলাম মিজি একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে ইউনিয়নে সর্বক্ষনিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সরকারি ত্রানগুলো দূরত্ব বজিয়ে রেখে বরাদ্ধ আসলেই বিতরন করেন। এ ছাড়া ও তিনি তার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে গোপনে গোপনে ত্রান বিতরন অব্যাহত রেখেছেন। সবার ধারে ধারে গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। দোকানপাট বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। উপজেলা প্রশানের সহযোগীতায় নারায়নগুঞ্জ থেকে আসা কয়েকটি পরিবারকে লকডাইন দিয়ে ইউনিয়নে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। সবার আস্থা ভাজন হয়ে আশার দুত হয়ে তাজুল ইসলাম ইউনিয়নবাসীর কাছে রয়েছেন। স্যোসাল মিডিয়ায় সচেতনতা মূলক প্রচারনা তিনি অব্যাহত রেখেছেন।

১০ নং লক্ষিপুর মডেল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম খান লক্ষিপুরকে করোনা মুক্ত রাখার জন্য ব্যাপক হারে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারি ত্রানগুলো দূরত্ব বজিয়ে রেখে বিতরন করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া ও তিনি ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ত্রান বিতরন প্রশারিত করে দিয়েছেন। বিভিন্ন ভাবে মানুষকে ত্রান বিতরন করে যাচ্ছেন। চাঁদপুরের উন্নয়নের রুপকার শিক্ষামন্ত্রীর ডাঃ দীপু মনি এমপির পক্ষ থেকে ও বিতরন ও করা অব্যাহত রেখেছেন।

১১নং ইব্রাহীমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাশিম খান ওয়ার্ড সদস্য ও ইউনিয়নের সচেতনমহলকে সাথে নিয়ে করোনা প্রতিরোধে মাঠে সক্রিয় ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অযথা রাস্তা ঘাটে আড্ডা না দিয়ে বাসা ভাড়িতে সবাইকে থাকার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন। গ্রাম অঞ্চলের দোকানপাটে আড্ডা দেওয়া অবস্থা পেলে তাদেরকে আইনের আওত্তায় নিয়ে আসা হবে বলে সচেতন করেছেন। সরকারি ত্রান নিয়মনুসারে বিতরন করেন।

১২নং চান্দ্রা ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু অসহায় দুস্থ্যদের মাঝে সরকারি ত্রান যথানিয়মে বিতরন করে যাচ্ছেন, জনগনকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রচারনা অব্যাহত রেখেছেন। দূরত্ব বজিয়ে রেখে সবাইকে চলার জন্য নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।

১৩নং হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান ছাত্তার ঢাড়ী করোনা প্রতিরোধে ইউনিয়নের জনসাধারনকে সচেতন করে যাচ্ছেন। সরকারি ত্রান নিয়মানুসারে বিতরন করে চলছেন। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ করে যাচ্ছেন।

১৪নং রাজরাজেশ্ব ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হযরত আলী বেপারী নদী ভাংতি মানুষের মাথার ছাতা হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, সাহায্য সহযোগীতা অব্যাহত রেখেছেন। সরকারি ত্রানগুলো দূরত্ব বজিয়ে রেথে বিতরন করেন। এ ছাড়া নদী ভাংতি মানুষের জন্য বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছ থেকে হাত বাড়িয়ে ত্রান এনে দুস্থ্যদের মাঝে বিতরন করে চলছেন। রাজরাজেশ্বরে আছে একজন হযরত আলী তৃনমূলের সাধারন মানুষ এটাই মনে করছেন। শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি জনসাধারনকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন হযরত আলী রাজরাজেশ্বরের অসহায় দুস্থ্যমানুষের অভিভাবকের ভূমিকা নিয়ে অবিরাম ইউনিয়নে বিচরন করছেন।