চাঁদপুর শহরের পাল বাজার এখন থেকে ঈদগাহ মাঠে

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসন ও জেলা মার্কেটিং অফিসের যৌথ উদ্যোগে চাঁদপুর শহরের পাল বাজার এখন থেকে করোনা ভাইরাসে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চাঁদপুর ঈদগাহ্ মাঠে আজ বুধবার থেকে বসবে।এখানে পাল বাজারের তরকারি ও মাছ বাজারের ব্যবসায়িরা করোনার ভয়াবহতা না কাটা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করবে বলে জানা গেছে। বাজার পরিচালনা কমিটিরসদস্য মোঃহারুন পাটোয়ারী জানান,বৈশ্বিক করোরা ভাইরাসে দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসন আমাদের সাথে মতবিনিময় সভা করে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে এখানে পালের বাজারের মাছ ও কাঁচা তরকারির দোকান গুলো স্হানান্তর করার জন্য। বুধবার সকাল থেকে ব্যবসায়িরা পণ্য বিক্রির উদ্দ্যেশে এখন থেকেই তাদের সবার স্থান নির্ধারন করেছে।
গত রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।মঙ্গলবার থেকে খোলা মাঠে কাঁচা তরকারি ও মাছ বাজার বসতে শুরু করেছে। গত সোমবার থেকে বাবুরহাট বাজার স্থানান্তর করে বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নেয়া হয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে চাঁদপুর শহরের বিপণীবাগ বাজারের কাঁচামাল যাবে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে এবং ওয়্যারলেস বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তার উপরে দূরত্ব বজায় রেখে বাজার পরিচালনা করবে।বাবুরহাট সস্কুল এন্ড কলেজ মাঠেবসা ব্যবসায়িরা জানায় গত দু’দিন ধরে আমরা এ মাঠে বসে ব্যবসা আইনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছি। কিন্তু বেচা বিক্রি হচ্ছে না।কিছু সংখক ব্যাক্তি এখনো মুল বাজারে বসে পণ্য বিক্রি করছে।আর আমাদের পণ্য রোদে নস্ট হচ্ছে।এমন হলে আমরা ও পূর্বের স্হানে চলে যাওয়া ভাল।
এদিকে একাধিক সূত্র থেকে জানাযায়, বাবুরহাট বাজারের তরকারি ও মাছ বাজার স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নিলে ও মুল বাজারে লকডাউন মানছে না ব্যবসায়ি ও ক্রেতারা। প্রতিনিয়তই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় লেগেই রয়েছে। এতে করে বাবুরহাট বাজারের ব্যবসায়িরা করোনা ভাইরাসের ঝুকিতে রয়েছে।
মতলব উত্তরে মৃত যুবক করোনায় আক্রান্ত ছিলনা মানিক দাস।। মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শিকারীকান্দি গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যাওয়া যুবক করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না বলে মঙ্গলবার দুপুরে তার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। জ্বর, সর্দি, কাশি প্রভৃতি করোনার উপসর্গ ছিল তার। অসুস্থ অবস্থায় তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তার শ্বশুর বাড়িতে ছিলেন বেশ কয়েক দিন। সেখান থেকে বুধবার তাকে মতলব উত্তর উপজেলার পুতিয়ারপাড় এলাকায় অবস্থিত বোনের বাড়িতে দিয়ে যায় শ্বশুর বাড়ির লোকজন। স্থানীয় লোকজন অসুস্থতার কারণে তাকে সেখানে থাকতে আপত্তি করলে বৃহস্পতিবার সকালে শিকারীকান্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে আনা হয়। ঐ দিন দুপুরে তিনি মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় দাফন করা হয়। এ ঘটনায় যুবকের বাড়িসহ আশপাশের ৫টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল।