চাঁদপুর মহাশশ্মানে করোনায় মৃতদের দাহ করা হচ্ছে করোনা শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৮৮ মৃতের দাহ

 মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুর শহরের বাগাদী রোডস্থ মহাশশ্মানে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৮৮টি মরদেহের সৎকার করা হয়েছে।শশ্মানে দাহ করার জন্য হরিবোলা সমিতি নামের সৎকাজের জন্য সংগঠন রয়েছে। যারা দাহকাজ করছে তারা জীবনের ঝুকির মাঝে কাজ করছে।করোনায় আক্রান্ত ও চিকিৎসাধীন মৃত দেহ চাঁদপুর মহাশশ্মানে দাহ করতে নিয়ে আসছে মৃতেরগগ পরিবারের লোকজন।এখানে তারা বেশির ভাগ সময় মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।করোনার বিষয়টি গোপর রেখে হৃদরোগ, জ্বর ইত্যাদী রোগে মারা গেছে বলে জানায়।গত ৪/৫ দিন পূর্বে চাঁদপুর শহরতলির ঘোষেরহাট এলাকার জনৈক ব্যাক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা যায়।
ভোর হলে ঔ মরদেহ চাঁদপুর শশ্মানে দাহের জন্য নিয়ে আসে। তারা প্রথমে বলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।পরে শশ্মানেন সবদাহের জন্য হরিবোলা সমিতির কর্মকর্তারা চাপ সৃস্টি করলে সত্যতা স্বিকার করে।এ মনি ভাবে করোনায় আক্রান্ত মৃত দেহ দাহ করতে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকেও এখানে নিয়ে আসে।চাঁদপুর মহাশশ্মানে পুরোহিত, ডোমসহ ৭ জন ব্যাক্তি নিরলস ভাবে সবদাহের কাজ করে যাচ্ছে। হরিবোলা সমিতির সভাপতি অজয় ভৌমিক জানান, করোনা মহামারিতে চাঁদপুর শশ্মানে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র ৫০টি পিপিই পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ টাস্ট্র, চাঁদপুর পৌরসভা, সুজিত রায় নন্দি, মেয়র প্রার্থী জিল্লুর রহমান জুয়েলের কাছ থেকে।
এসব পিপিই চাঁদপুর মহাশশ্মানের জন্য একেবারেই নগন্য।শশ্মানে যারা কাজ করে তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৩ জনকে যতসামান্ন বেতন চাঁদপুর পৌরসভা থেকে দেয়া হয়ে থাকে। এরর মাঝে ও তারা কাজ করছে। করোনার মাঝে মৃতদের দাহ করতে হচ্ছে ঝুবার মধ্যে। অনেক করোনায় মৃতের পরিবার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এখারে দাহ করতে নিয়ে আসে।তারা আমাদের কাছে সত্য প্রকাশ করলে দাহ করতে আমাদের অসুবিধা নেই। নিয়ম কানুন মেনে আমরা তা করতে পারি। চাঁদপুর মহাশশ্মান এ করোনা আক্রান্ত শবদেহ সৎকার হচ্ছে নিয়মিত।
এ কাজে অক্লান্ত পরিশ্রমকরে যাচ্ছে মহাশ্মশানের প্রধান পুরোহিত গোপাল চক্রবর্তী। বাসুদেব দে, গৌরাঙ্গসাহা (গৌরা),কাঞ্চন ঋষি দাস, সোহেল হরিজন ও হারাধন হরিজন।অজয় ভৌমিক আরো জানান,মৃতের পরিবারের লোকজন যদি আমাদের কাছে সত্য প্রবাশ করে তাহলে তাদের অনেক সুবিধা। মৃত্যুর সময়, সঠিব নাম ওঠিকানা আমাদের রেজিস্ট্রি খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয় তাহলে তারা মৃত্যুর সনদ তুলতে পারবে।করোনায় মারা গেলে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ টাস্ট্রে জানালে তারা সরকারি অনুদান পাবে দাহ সম্পন্ন করতে।