চিকিৎসক শূন্য চাঁদপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাদঁপুর প্রতিনিধিঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারন করে চলছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পরেছে। চাঁদপুর শহরে করোনা ভাইরাসের কারনে অনেক চিকিৎসক যেন ইঁদুরের গর্তে লুকিয়েছে।চেম্বার বন্ধ করে অনেক ডাক্তার কোথায় আত্মগোপনে আছে তারা নিজেরাও যানে না।

চাঁদপুর শহরে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো অসংখ প্রাইভেট হাসপাতাল, ডায়াগনিস্টিক সেন্ট্রার রয়েছে। এসব প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনিস্টিক সেন্টারের সামনে বড় বড় ডিগ্রী ধারি ডাক্তারদের নামের সাইন বোর্ডের শেষ নেই।আজ সেই সব ডাক্তারগন কোথায়?করোনা ভাইরাসের আগে চাঁদপুর শহরের নোভা এইড, মিডল্যাণ্ড হাসপাতাল, প্রিমিয়ার হাসপাতাল,নাভানা হাসপাতাল, ফ্যামিলি ক্যায়ার হাসপাতাল, আল আমিন হাসপাতাল, চাঁদপুর মেডিক্যাল সেন্টার, সেন্ট্রাল হাসপাতালসহ প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে সাপ্তাহিক হাটের মতো যেন ডাক্তারদের হাট বসতো।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী দেখে মোটা অংকের অর্থ বানিজ্য করে রাতে ঢাকা চলে যেত। আর সেবার নামে টু পাইস কামাতো ওই সব প্রাইভেট হাসপাতাল এবং ডায়াগনিস্টিক সেন্টার মালিকগন। চাঁদপুরে ঢাকা থেকে বৃহস্পতি ও শুক্রবার বহু চিকিৎসক ভোর হতে না হতেই চাঁদপুরে ছুটে আসতো। এখন তাদের কে চাঁদপুরে আসতে দেখা যায় না। ঢাকা থেকে চাঁদপুরে আসা

চিকিৎসাকর্ হলো, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেরমেডাসিন,কিডনি, লিভার,পরিবারতন্ত চিকিৎসক ডাঃমোঃহাসিফুর রহমান বিল্পব।জাতীয় নাক, কান,গলা ইন্সস্টিটিউট তেজগাও এর ডাঃ এ এইচ এম ফেরদৌস নুর। শহীদ সোহরাওয়ারদি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহাদাত হোসেন। শহিদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডাঃমোঃমোখলেছুর রহমান। ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টার ন্যাশনাণমল মেডিকেল কলেজের সহ -অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ এ এম আফসারুল আবেদীন। স্যার সলিমুল্যা মেডিকেল কলেজের ডাঃ রাশেদুল হাসান।নাক কান গলা হেড নেক সার্জন সহকারি অধ্যাপক ডাঃমোঃ ইব্রাহিম খলিল। শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজের ডাঃমিজানুর রহমানের নামের সাইন বোর্ড শহরের প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে দেখা যায়।

কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতালের কর্মকর্তা ও ম্যানেজারদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বিষয়টি এরিয়ে যান।চাঁদপুরে থাকা অনেক চিকিৎসক তাদের চেম্বার বন্ধ রেখেছেন।করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আক্রমন করার পর থেকে নতুন আলিমপাড়ায় বসবাস কারি শিশু চিকিৎসক ডাঃ আজিজুর রহমান ফেনীতে চলে যান। ডাঃ সুজিত কুমার দাস প্রথমে কয়েক দিন চেম্বার বন্ধ রাখার পর এখন সীমিত ভাবে রোগীর সেবা দিচ্ছেন।

এমনি ভাবে চাঁদপুরের অনেক চিকিৎকই নিজ চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন। করোনা ভাইরাস দেশে আসায় এখন তারা রোগী দেখা ছেরে দিয়েছেন। এখনো অনেক রোগী দূর দূরান্ত থেকে ডাক্তারদের ব্যাক্তিহত চেম্বারে ডাক্তার না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।ডাক্তারগন সুসমঢে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী দেখেন, আজ দেশে করোনা পরিস্হিতিতে তাদের দেখা পাচ্ছেনা সাধারন রোগীরা।