চাঁদপুরের হাইমচরের ভিঙ্গুলিয়ায় সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে কলা বাগান বিনষ্ট ও জেঠাকে হত্যার চেষ্টা

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ২ নং উত্তর আলগী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ভিঙ্গুলিয়া গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে বড় ভাইয়ের উপর ছোট ভাই একের পর এক হামলা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনা সূত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানাযায়, ভিঙ্গুলিয়া গ্রামের শেখ বাড়ির চাঁন মিয়া শেখের উপর তারই আপন বাতিজা মমিন হোসেন শেখ একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এমন কি সাগর কলা বাগানের কলার ছরি পর্যন্ত রাতের আধারে কেটে নিয়ে গেছে।ইরি ইমিগ্রেসনের জন্য রোয়া ধানের ক্ষেতে আহদগাছা মারার ওষধ দিয়ে ধানের চারা নস্ট করে দিয়েছে। পুরান বাড়ি অথাৎ পিতার সম্পত্তি ৫ ভাই সমান ভাগ পাওয়ার কথা থাকলেও মমিন হোসেনের বাবা বিল্লাল শেথ নিজে একাই ভোগ দখল করে খাচ্ছে।গত শনিবার রাতে চাঁন মিয়া শেখ কে হত্যার জন্য তারই আপন বাতিজা মমিন হোসেনের নেতৃত্বে বোরকা পরিহিতা বেশ কিছু সন্ত্রাসী লোক নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ঘরে গিয়ে হামলা চালায় হত্যা করতে না পেরে বিভিন্নভাবে তাকে আহত করে চলে যায় এবং হুমকি-ধমকি দিয়ে যায় মামলা উঠিয়ে না নিলে পরবর্তীতে জীবনে মেরে ফেলবে।

এর আগের দিন শুক্রবার রাতের আধারে সাগর কলার বাগান থেকে বেশ কিছু কলার ছরা কেটে নিয়ে যায়।মমিন হোসেন, তার মা রওশআরা বেগম সহ ভাড়া লোক এঘটনা ঘটিয়েছে বলে চাঁন মিয়া শেখ জানান।তিনি আরো জানান এ সম্পত্তি নিয়ে ৪ টি মামলা চলমান রয়েছে।হাইমচর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ও তারা অভিযোগ নেয় না।তার কারণ হলো মমিন হোসেন থানায় পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে।এ বিষয়ে প্রবাসী আব্দুর রশিদ শেখের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান যে জমিতে কলাবাগানের চাষ করা হয়েছে সে জমিটি আব্দুর রশিদ শেখ ও গনি শেকের ক্রয় কৃত জমিন। যেহেতু আব্দুর রশিদ শেখ প্রবাসে রয়েছেন তাই তার ভাই চাঁন মিয়া শেখ কে কৃষি কাজ করার জন্য দিয়েছেন।

চাঁন মিয়া শেখ বনাম মমিন হসেন শেকের বাবা বিল্লাল শেখ তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলিতেছে। ওই মামলা নিয়ে তারা শত্রুতার জের হিসেবে আমাদের এই ক্রয় কৃত জমি যেখানে কলাবাগানে চাষ করা হয়েছে এ বাগানটিতে তারা কলার ছড়ি কেটে নিয়ে শত্রুতা করে যাচ্ছেন। এমনকি আমার বাসুর চাঁন মিয়া শেখ কে হত্যার উদ্দেশ্যে মমিন হোসেন শেখ এর নেতৃত্বে বোরকা পরিহিতা বেশ কিছু সন্ত্রাসী লোক নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ঘরে গিয়ে হামলা চালায় হত্যা করতে না পেরে বিভিন্নভাবে তাকে আহত করে চলে যায় এবং হুমকি-ধমকি দিয়ে যায় মামলা উঠিয়ে না নিলে পরবর্তীতে জীবনে মেরে ফেলবে। স্থানীয় সাংসদ শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ।