চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুরে বখাটের যৌন লালসার স্বিকার হয়ে প্রতিবন্ধী তরুনী ৮মাসের অন্তঃসত্বা

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধি :চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চরফজংপুরে এক প্রতিবন্ধী তরুনী বখাটের যৌন লালসার স্বিকার হয়ে আজ আট মাসের অন্তঃসত্বা হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনা সূত্রে জানাযায়, ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চরফতেজংপুর গ্রামের মিজি বাড়ির নাসির মিজির কণ্যা(২০)প্রতিবন্ধী কে বাড়িতে তার মা ভুলু বেগম চেয়ারম্যান কাশেম গাজীর বাড়িতে কাজ করতে চলে যেত।তার পিতা নাসির মিজি দিনমজুরের কাজ করতো। সেই সুযোগে পার্শবর্তি খান বাড়ির উসমান খানের ছেলে নাছির খান (৩৫)পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাড়িতে কেউ না থাকলে তাদের ঘরে প্রবেশ করতো।৮ মাস পূর্বে একা ঘরে প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে জোড়পূর্ক ধর্ষণ করেছে বলে তরুনীর মা ভুলু বেগম জানান।তিনি আরো জানান,আমার ২মেয়ে ২ছেলের মধ্যে ও সবার বড়।৮/৯মাস পূর্বে আমি কাশেম চেয়ারম্যানের বাড়িতে কাজ করতে সকালে চলে গেলে পাশের বাড়ির উসমান খানের ছেলে বাড়িতে প্রবেশ করে আমার মেয়ের ইজ্জত নস্ট করে।আমরা বিষয়টি রোজার ঈদের কয়েক দিন আগে বুঝতে পারি। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার চেষ্টা করেন।কিন্তু উসমান খান আসেন নি। বহুবার বসার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও আসামী পক্ষ না আসায় বসা হয়নি। পরে চেয়ারম্যান কাশেম খানের পরামর্শে চাঁদপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নাছির খানকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ৩ তারিখ ৩/৭/২০২০। প্রতিবন্ধী তরুনী এখন তার গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয় পেতে চায়। সে জানায়, তার মুখ চেপে ধরে নাছির খান বহু দিন তাকে ধর্ষণ করেছে।এ কথা যেন কাউকে না বলি সে জন্য হুমকি দেয়া হয়।তাকে বলা হয় এ কথা যদি তার পরিবারের কাউকে বলা হয় তাহলে মেরে বস্তায় ভরে গাংগে ফেলে দেয়া হবে। এ জন্য ভয়ে বিষয়টি সে প্রথমে কাউকে বলা হয় নি।

মামলার তদন্ত কারি কর্মকর্তা এস আই মোবারক হোসেন বলেন অভিযোগ পেয়ে আমরা মামলা রুজু করেছি।এখন আইনি প্রকৃয়ায় বাকী কাজ চলবে।তবে প্রতিবন্ধী তরুনী যে ভাবে সঠিক বিচার পায় সে ব্যবস্হা করবো।