চরদিঘলদী ইউনিয়ন থেকে অবিস্ফোরিত ককটেল ও টেঁটাসহ আটক ২

সুমন পাল, মাধবদী(নরসংদী) প্রতিনিধি :মাধবদী থানাধীন চরদিঘলদী ইউনিয়নে আবারো টেঁটা যুদ্ধ করতে গিয়ে নাজিমুদ্দিন ও ইকবাল বাহিনীর দুইজন টেঁটা ও ককটেল-সহ জনতার হাতে আটক হয়েছে।

নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধীন চরদীঘলদী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য নাজিমুদ্দিন, ইকবাল ও শামীম বাহিনীর লোকেরা চরদিঘলদী ইউনিয়নের, দোয়ানী,নোয়াবপুর,নোয়াকান্দী গ্রাম দখল করার জন্য, টেঁটা বল্লম ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করতে গিয়ে জনতার হাতে দুই জন আটক হয়েছে, উদ্ধার করা হয়েছে ২৩টি টেঁটা ও ২০টি অবিস্ফোরিত ককটেল, বিস্ফোরিত ককটেলের দশটি টুকরো ও ছোট বড় বিভিন্ন আকারের ২০ টি পাথরের টুকরো। আটককৃত দু জনকে গ্রামবাসী গণপিটুনি দিয়ে মাধবদী থানা পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্হলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।। খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, কয়েক মাস আগে দোয়ানী বাজারে দেলোয়ারের ও শহিদ মেম্বারের মার্কেট ও বাড়ি ভাংচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রাম বাসীর প্রতিরোধের মুখে নাজিমুদ্দিন, ইকবাল ও শামীম বাহিনীর লোকেরা গ্রাম থেকে পালিয়ে যায় । দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর একি ইউনিয়নের অনন্তরামপুর গ্রামে আশ্রয় নিয়ে চরদিঘলদী ইউনিয়ন এর বর্তমান চেয়ারম্যান আবু মনসুরের ছেলে শামীমের নেতৃত্বে হাজার হাজার টেঁটা ও ককটেল বানিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে গত ১৬ জুলাই উল্লেখিত গ্রামগুলি দখল করার জন্য নাজিমুদ্দিন, ইকবাল ও শামীম-সহ কয়েক শত লোক নিয়ে টেঁটা, বল্লম ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সু- সজ্জিত হয়ে নোয়াকান্দী ও নোয়াবপুর ঈদগাঁ মাঠে প্রস্তুতি নেয়ার সময় আলী হোসেন নামে এক ব্যাক্তি তাদের দেখে গ্রাম বাসী’কে খবর দিতে চাইলে সন্ত্রাসীরা তার উপর হামলা চালায় এই সংবাদ গ্রামবাসী জানতে পেরে গ্রামের সব মসজিদের মাইক দিয়ে ঘোষনা দিলে গ্রামের মানুষ তাদেরকে চারদিক দিক থেকে ঘিরে ফেলে তাদের আটক করার চেষ্টা করেলে সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে পালিয়ে গেলেও তাদের সাথে থাকা দুজনকে গ্রামবাসী আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটককৃত দুজন হলো হারিছ ও আল আমিন ।

এব্যাপারে আলী হোসেন বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ১ টি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ১৬ তারিখ ১৭ /৭/ ২০২০ ইং, মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে ১০০/১৫০ জন কে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবদী থানার (ওসি) অফিসার ইনচার্জ আবু তাহের দেওয়ান বলেন চরদিঘলদী ইউনিয়ন হতে আমরা ২৩টি টেঁটা, ২০টি অবিস্ফোরিত ককটেল, দশটি বিস্ফোরিত ককটেল এর অংশ ও ছোটো বড় বিশটি পাথরের টুকরো উদ্ধার-সহ ০২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং গ্রেফতারকৃত দুজনকে পুলিশ প্রাথমিক চিকিৎসা করে নরসিংদী আদালতে প্রেরন করেছে।