চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনাই ইসির জন্য চ্যালেঞ্জ

নানা অপপ্রচারের পাশাপাশি রাজনৈতিক জটিলতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নেয়াই এখন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা যেমন রয়েছে, তেমনি অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভোটাররা কেন্দ্রমুখী হচ্ছেন না। এ অবস্থায় ভোটারদের আস্থা ফেরাতে নির্বাচনের দিন সরকারি বন্ধ শিথিল করা, যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেয়াসহ আরো বেশ কিছু ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

গত ১৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচনে ভোট পড়েছিলো মাত্র ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি একই অবস্থা ছিল ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। উত্তরে ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ঢাকা দক্ষিণে ২৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। সবগুলোই ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়েছিলো। আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনও সেই শঙ্কায় ভুগছে।

সনাকের সহ সভাপতি অধ্যক্ষ আনোয়ারা আলম বলেন, ভোটার যদি ভোট কেন্দ্রে না আসেন তাহলে নির্বাচনটা একমুখি হয়ে যাবে, আর নির্বাচনের আগে যে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে সেটা আর থাকবে না।

ভোটকেন্দ্রে ভোটার না আসা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোরও রয়েছে নানা ব্যাখ্যা। তবে সবচে আলোচিত বিষয় হলো ইভিএম। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান পক্ষে, আর উল্টো ভাবনা বিএনপি’র। কিন্তু ভোটার আনা নিয়ে দু’দলের নেই কোনো সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা।

নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, বিরোধীদল নির্বাচনকে সব সময় একটা নেগেটিভভাবে প্রচার করছে। এখন শান্তিপ্রিয় ভোটারা ভাবছেন কেন্দ্রে গেলে ঝামেলা হতে পারে। এই ভীতির কারণে ভোটাররা আসছেন না।