চট্টগ্রামে শিশুসহ ৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও লক্ষ্মীপুরে ছয়জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আগে আক্রান্ত এক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষায় আবারও সংক্রমণ পাওয়া গেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) চট্টগ্রামের ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকসাস ডিজিজেজ- বিআইটিআইডিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষায় ছয়জনের সংক্রমণের বিষয়টি শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে ১৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একজন মৃত। এছাড়া ১৬ জনের মধ্যে দুজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির জানান, রোববার মোট ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। নতুন ছয়জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। সবাই পুরুষ। এদের মধ্যে একজনের বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটে, বয়স ৪৫। সাতকানিয়া উপজেলায় দুজনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেছে, বয়স ১৭ ও ৩২ বছর। পটিয়া উপজেলায় ছয় বছর বয়সী এক শিশু আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি পুলিশ লাইন এলাকার একজন আক্রান্ত হয়েছেন, বয়স ৬৫। এছাড়া লক্ষ্মীপুরে ৫২ বছর বয়সী একজন আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়ায় প্রথম যে ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল, তৃতীয়বার নমুনা পরীক্ষায়ও তার শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিতে গত ২৬ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত শুরু হয়। ৩ এপ্রিল নগরীর দামপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সী একজন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়। দুদিন পর ৫ এপ্রিল তার ছেলের শরীরেও করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। গত ৮ এপ্রিল বিআইটিআইডিতে আরও তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে একজন নারী ও ২ জন পুরুষ। এরপর ১০ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর ফিরিঙ্গিবাজারের শিববাড়ি মোড়ের একজন কাঠ ব্যবসায়ী এবং আরেকজন নগরীর পাহাড়তলী থানার ঝোলারহাট কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতার করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ১১ এপ্রিল সাতকানিয়ার একজন মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এছাড়া নগরীর পাহাড়তলী থানার সিডিএ মার্কেট এলাকায় একজন এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একজনের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়।