গাজীপুর মহাসড়কে প্রশাসনের নাকের ডগায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ অটোরিকশা

আব্দুল আলীম, গাজীপুর প্রতিনিধি: মহাসড়কে তিন চাকা চালিত যান চলাচলে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গাজীপুরের মহাসড়ক গুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত তিন চাকার অটোরিকশা।

নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই এসব অটোরিকশা উল্টোপথে ঝুকির মধ্যে দিয়ে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ মহাসড়কে নির্দ্বিধায় যাত্রী বহন করে চলেছে। এতে করে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় কোন না কোন দূঘটনা আর সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজটের।

শিল্প নগরী গাজীপুরের মহাসড়কগুলোর পাশেই গড়ে উঠেছে শত শত পোশাক কারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সহ ব্যবসায়ী স্থাপনা। মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত এসব পোশাক কারখানা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লোকজন প্রতিদিনই এ সড়ক পথে যাতায়াত করে।

বিশেষ করে, পোশাক কারখানা ছুটির পর হাজার হাজার শ্রমিকদের চলাচলে ব্যাটারী চালিত অবৈধ অটোরিকশার কারণে মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনা শিকার হতে হয়। জীবনের ঝুকি নিয়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে হয় বলে জানিয়েছেন, পোশাক শ্রমিকরা। ৪০ কিলোমিটার গতি সম্পন্ন এসব অটোরিকশা বেপোরোয়া চলাচলে সর্বদাই দুর্ঘটনার আশঙ্কার মধ্যে দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারীদের।

সরজমিনে দেখা যায়, প্রকাশ্যে ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়েই চলাচল করছে ঝুকিপূর্ন এসব ব্যাটারী চালিত অবৈধ অটোরিকশা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর খামখেয়ালীপনার কারণে, ব্যস্ততম এ মহাসড়কে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে যাত্রীসাধারণ।

ট্রাফিক পুলিশের এরকম রহস্যজনক ভূমিকায় জনসাধারণের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অটোরিকশা চালক জানান, এ সড়কে অটোরিকশা চালানোর জন্য দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশদের নিয়মিত অনির্ধারিত চাঁদা দিতে হয়।

আবার কোন কোন সময় পুলিশ এসে অটোরিকশার চাবী নিয়ে যায়। তাদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ দিতে অপারগতা স্বীকার করলে অটোরিকশা সহ ব্যাটারী জব্দ করে আদালতে পাঠিয়ে দেয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে,

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ট্রাফিক উওর) সহকারী কমিশনার মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। এসব অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।