গাজীপুরে জনতার মুখোমুখি মেয়র

আব্দুল আলীম, গাজীপুর : গাজীপুরের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন,গাজীপুর নগরীকে আধুনিকায়ন উন্নয়নের জন্য মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। গণশুনানীর মাধ্যমে তা চুড়ান্ত করা হবে। জন্মের পর মৃত্যু পর্যন্ত সেখানে যা নির্মাণ করা প্রয়োজন সেখানে তা-ই নির্মাণ করা হবে। কোন স্থাপনা কোথায় নির্মিত হবে তার উল্লেখ থাকবে সেখানে।

মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সালনা নাসির উদ্দিন হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে মেয়র এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সিটির সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সোহরাব হোসেন, কেএম জহুরুল আলম, মাহমুদা শাহরিন মাধবী, মো. হাসিবুল ইসলাম, বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র এলাকাবাসীর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দেশের অন্যান্য নগরীর চেয়ে গাজীপুর নগরীতে হোল্ডিং ট্যাক্স সবচেয়ে কম ধার্য্য করা হয়েছে। আর সিটির অবকাঠামো নির্মাণ করতে গিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার ট্যাক্স মওকুফ করে দেয়া হবে। গাজীপুরের কাউলতিয়া ও আশেপাশের ওয়ার্ডে জাইকার সহায়তায় ৫টি স্কুল স্থাপন করা হবে। কোন কলকারখানায় যদি বর্জ্শোধনাগার (ইটিপি) নির্মাণ না করে পরিবেশ দূষিত করে। তবে সেসকল কারখানার লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অপরাধ প্রবনতা কমাতে পুরো এলাকাকে সিসি টিভির আওতায় আনা হবে।

আমাদের কি করণীয় আছে আর নগরবাসী কি পেয়েছে তা দেখার জন্যই আমি বিভিন্ন এলাকায় জনতার মুখোমুখী হচ্ছি। অবহেলিত কাউলতিয়া, বাসন ও পূবাইল এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যোগাযোগসহ বাস্তবমূখি বিভিন্নু প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। কারণ ইউনিয়ন পর্যায়ে এসব এলাকায় তেমন উন্নয়ন হয়নি।

তিনি আরো বলেন, আগে এলাকায় রাস্তা করার জন্য এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তদবির করতেন আর আমরা রাস্তা করার জন্য এখন আমি জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। এসব এলাকা আধুনিকায়নের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। যারা রাস্তার জন্য জমি দিচ্ছেন তাদের নামে ওই রাস্তার নাম করণ করা হবে। আর নগরবাসীদের যাদের সন্তানরা বেকার রয়েছে তাদের চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে।