গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য ১ হাজার দিনের পুষ্টি সহায়তা প্রদান ও অতি দরিদ্র ও ঝূঁকিপূর্ণদের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে-মেয়র

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য ১ হাজার দিনের পুষ্টি সহায়তা তুলে দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ইউএনডিপি ও ইউকে-এইড এর সহায়তায় পরিচালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে এই সহায়তা তুলে দেয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১ হাজার ৬ শত ৭৪ জনকে সহায়তা দেয়া হবে তন্মধ্যে আজ ১৮০ জনকে খাদ্য সহায়তা তুলে দেয়া হয়।
এর মধ্যে রয়েছে ১লিটার ভোজ্য তেল, ৩০ টি ডিম ও ১ কেজি ডাল। এই উপলক্ষে নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডস্থ টাইগার পাস বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন। এ সময় সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম, প্রান্তিক জনগোষ্টির জীবনমান প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সরোয়ার হোসেন খান, সোসিও-ইকোনমিক ও নিউট্রিশন এক্সপার্ট মোহাম্মদ হানিফ
টাউন ফেডারেশন এর চেয়ারপার্সন কোহিনুর আক্তার, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সার মালিক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, সম্প্রতি সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ একটি মহামারি রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও তা চরম আকার ধারণ করেছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে আমাদের দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নগরে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষজন। বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতির কারনে কর্মহীন নগর দরিদ্র মানুষজন চরম দূর্দশার ভিতর দিন যাপন করছে।
তার মধ্যে গর্ভবর্তী ও দুদ্ধদানকারী মায়েরা চরম পুষ্টিহীনতায় ভূগছে। এমন অবস্থায় নগরীতে এসব জনগোষ্ঠির জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি ইউএনডিপি ও ইউকে-এইড এর সহায়তায় পরিচালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প অনন্য ভূমিকা রাখছে। তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ দূর্যোগ সময়ে সবাইকে ধৈর্যশীলতার সাথে মোকাবেলা করতে হবে। মেয়র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় খুব শীগ্রই অতি দরিদ্র ও ঝূঁকিপূর্ণ নগরবাসীর জরুরী খাদ্য সহায়তার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার প্রক্রিয়া শরু করা হবে।