খুলনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ভ্রাম্যামান আদালত

আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা প্রতিনিধিঃ খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন মহোদয়ের নির্দেশে মঙ্গলবার দুপুরে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসন খুলনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক ও নূরী তাসমিন ঊর্মি। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক জারিকৃত ২৯ আগস্ট, ২০২০ তারিখের পরিপত্র অনুযায়ী গণপরিবহনে আসন সংখ্যার অধিক যাত্রী পরিবহন না করা এবং সরকার নির্ধারিত (সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক ৩ মে, ২০১৬ সালে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনমূলে নির্ধারিত) হারের অতিরিক্ত হারে ভাড়া আদায় না করার শর্তে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন সরকার।

উপরন্তু যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও নির্দেশনা রয়েছে। গণপরিবহনে সরকার নির্দেশিত উপর্যুক্ত শর্ত ও স্বাস্থ্যবিধির সঠিক প্রতিপালন হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের আইনের আওতায় আনতেই আজ খুলনার রূপসা সেতুর টোলপ্লাজা সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধ সংঘটিত হতে দেখেন কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়।

খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়া ও খুলনাগামী আন্তঃজেলা বাসসমূহে যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে দেখা যায়। বেশ কিছু গণপরিবহনে আসন সংখ্যার অধিক যাত্রী পরিবহন করতে দেখেন কর্তব্যরত আদালত।

এছাড়াও মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো, লাইট ভেহিকলের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে হেভি ভেহিকল চালানো, অনুমোদনের চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের পণ্য পরিবহনের মত অপরাধ সংঘটিত হতে দেখা যায়।

‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ এর বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘনের দায়ে মোট আটটি মামলায় গাড়ির চালক ও সুপারভাইজারকে মোট ১২,৫০০/- (বারো হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ),

খুলনা এবং বাংলাদেশ আনসারের সদস্যগণ। সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং যাত্রী সাধারণের অধিকার সংরক্ষণে জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।