খুলনা এর মধ্য ২০২০-২১ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, এপিএ স্বাক্ষরিত

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), ডুমুরিয়া  প্রতিনিধি: সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, ডুমুরিয়া ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, খুলনা এর মধ্য ২০২০-২১ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রূপকল্প ২০২১ মৎস্য অধিদপ্তরের ভিশন মিশন বাস্তবায়নে প্রতিবছর সুনির্দিষ্ট কিছু টার্গেট বাস্তবায়নের লক্ষমাত্রা নিয়ে এ চুক্তি করা হয়। ডুমুরিয়া উপজেলার ওয়েব পোর্টালে আপলোডকৃত চুক্তিটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের লক্ষ্যমাত্রা প্রদর্শনী বাস্তবায়নে ১.৫০ হেক্টর, আবাসস্থল উন্নয়নে ৪.০ হেক্টর, বিল নার্সারি বাস্তবায়নে ১.০ হেক্টর, পোনা অবমুক্তকরন ০.৫ মে. টন,

মৎস্যচাষি/সুফলভোগী পরামর্শ প্রদানে ৪৭৫ জন, মৎস্য হ্যাচারি নিবন্ধন ও নবায়ন ২ টি, মৎস্য খাদ্যমান পরীক্ষা ৬ টি, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ ১ টি, মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট/অভিযান ৩৫ টি, মৎস্য আবাসস্থল উন্নয়নে সুফলভোগী জড়িতকরন ৩২০ জন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রতিমাসে ১টি বিশেষ সেবা মোট ৮ টি, মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী ও অন্যান্য সুফলভোগীদের প্রশিক্ষণ ৪২৫ জন, মাছের রোগপ্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সুফলভোগীদের পরামর্শ প্রদান ২৬ জন।

এছাড়া সিটিজেন চার্টার বাস্তবায়ন, জনসেবা নিশ্চিতকরন ও শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আবুবকর সিদ্দিক বলেন মৎস্য সেক্টরের উন্নয়ন ও সাধারন মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য মৎস্য অধিদপ্তর সুনির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। গত অর্থ বছর ডুমুরিয়া উপজেলা এপিএ চুক্তির ১০০% অর্জন করে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আবু ছাইদ বলেন উপপরিচালক মহোদয়ের সাথে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে উপজেলা কর্মকর্তাদের চুক্তি হয়েছে। গত বছর খুলনা জেলা শতভাগ লক্ষমাত্রা অর্জন করে। এ বছরও সকল কর্মকর্তা তাদের লক্ষমাত্রা শতভাগ অর্জন করতে পারবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এ ভাবে মৎস্য সেক্টর তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে।