খামার পরিচালনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা,আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক:  জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের ১ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব । ধৃত ব্যাক্তি হলেন, কক্সবাজার জেলার রামু থানার দেচুয়া পালং এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে নাজমুল আলম (৩২)।  শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন প্রগতি স্মরণিস্থ যমুনা ফিউচার পার্কের বিপরীতে আব্দুল আলী প্লাজার সামনে পাঁকা রাস্তা উপর অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবাসহ আন্তঃ জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের ১ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১১,৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০১ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৬,৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, র‌্যাব-১ গোয়েন্দা অনুসন্ধানে জানতে পারে যে, ধৃত চক্রটি মাদকদ্রব্য ইয়াবার একটি বড় চালান মায়ানমার হতে চোরাচালানের মাধ্যমে কক্সবাজার হয়ে রাজধানীর দিকে নিয়ে আসছে। পরে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে এবং তাদের গতিবিধি অনুসরণ করে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন প্রগতি স্মরণিস্থ যমুনা ফিউচার পার্কের বিপরীতে অবস্থিত আব্দুল আলী প্লাজার সামনে পাঁকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃ জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নদী পথে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে মিায়ানমার হতে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ইয়াবার চালানগুলো বিভিন্ন পরিবহণে করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিতে মাদক পরিবহনে নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে থাকে।

এই চক্রের অন্যতম সদস্য কক্সবাজারের জনৈক মাদক ব্যবসায়ী। সে অবৈধভাবে ইয়াবার চালান দেশে নিয়ে এসে তার সহযোগীতায় মাদকের চালান ঢাকারসহ আশেপাশের এলাকায় নিয়ে এই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের নিকট খুচরা ও পাইকারী মূল্যে বিক্রয় করে বলে জানায়। ধৃত আসামী নাজমুল আরো জানায়, সে একজন পল্ট্রি মুরগির খামারী। সে খামার পরিচালনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। সে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন পরিবহণে করে বিশেষ কৌশলে মাদকের চালান রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসছে। ইয়াবার চালানটি রাজধানীর আশুলিয়ার জনৈক মাদক ব্যবসায়ীর নিকট পৌছে দেয়ার কথা ছিল। সে ইতিপূর্বে ৮/১০টি মাদকের চালান রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলাসমূহে সরবরাহ করেছে । চালান প্রতি মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ২০/২৫ হাজার টাকা করে দিত বলে জানায় সে।