খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ে আমদানিকারক আড়তদার, ব্রোকারদের পণ্য বিক্রয়ের নির্দেশনা ভ্রাম্যমাণ আদালতের

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  রমযানের শুরু থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য নিয়ে নগরীর খাতুনগঞ্জ-চাক্তইয়ের ব্যবসায়ীরা ‘পেপারলেস ব্ল্যাক মার্কেটিংকরছে। তিনগুণ বেশি দামে বিক্রয় করছে আদা। পাশা-পাশি বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য বিক্রয় করছে বেশি দামে।
সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম। নগরীর খাতুনগঞ্জে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্কুর আলীর পান-সুপারির গোডাউনে লুকিয়ে রাখা সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত ৮৮ বস্তায় রাখা ১২ টন আদার সন্ধান পাওয়া যায়। আদা মজুদকারী প্রতিষ্ঠান নুর মার্কেটে শাহ আমানত ট্রেডার্সকে প্রতি কেজি আদা ১২০ টাকা করে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়। শাহ আমানত ট্রেডার্সের পর খাতুনগঞ্জের একতা ট্রেডার্স, শাহাদাত ট্রেডার্স এবং মাহবুব খান সাওদাগরের আড়তে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় কেজি প্রতি আদা কিনে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রির প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংশ্লিষ্টরা।
অভিযানে ৪টি আড়ত মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাট্টলী সার্কেল) মো: তৌহিদুল ইসলাম বলেন, খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ের ৩২ জন আমদানিকারক আড়তদার, ব্রোকারদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে কেজি প্রতি আদা ৮০-৯০ টাকায় কেনা আদা ২৫০ টাকা পর্যন্ত পাইকারিতে বিক্রি করছেন। যা কোনোভাবেই ১২০ টাকার বেশি হওয়ার কথা না। অভিযানে যে ৪ জন আড়তদারকে জরিমানা করা হয়েছে তারা আমদানিকারক আজাদ সিন্ডিকেটের লোক বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। আজাদ সিন্ডিকেটের আমদানি লাইসেন্স বাতিল করতে ডিসি স্যারের মাধ্যমে আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেবো।
অভিযানে ৪ আড়ত থেকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, যেসব আড়তদাররা আদা আমদারি করে বিভিন্ন মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভিন্ন উপজেলার পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে কোন রকম কাগজপত্র (ডকুমেন্ট) ছাড়া আদা বিক্রয় করে যে কারসাজি করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।