কয়েক সংসদ সদস্যের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক

ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২১ জন সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার ও সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এদের কারো কারো নাম ক্যাসিনোকাণ্ডেও আলোচিত।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর দুর্নীতি দমন কমিশন প্রায় দুই শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা করে অবৈধ সম্পদের খোঁজে নামে। এই তালিকায় ছিল বর্তমান সংসদের ৫জন সদস্যের নাম। যাদের কারও কারও বিরুদ্ধে ক্যাসিনোকাণ্ডে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দেশত্যাগেও কয়েকজনকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বর্তমান জাতীয় সংসদের আরও ৬ জন সদস্যের অবৈধ সম্পদের খোঁজ করছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে- সরকারি সম্পদ লোপাট, খাস পুকুর ইজারায় দুর্নীতি, সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্কুল কলেজে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, ঘুষ নিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। এসব যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংকেসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছে টিআইবি। তবে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পদক্ষেপ নিতে দুদকের আন্তরিকতার ঘাটতি দেখছে দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক এই সংস্থা।

আওয়ামী লীগ- ও বিএনপি দলীয় ১০ জন সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খাতিয়ে দেখছে দুদক।