ক্ষেতলাল উপজেলার বড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

ওমর আলী বাবু, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আবু রাশেদ আলমগীরকে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থা নীয় সরকার মন্ত্রনালয়।

জানা যায়, ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ৪৬.০০.৩৮০০.০১৭.২৭.০০১.১৬-৯৮৪ স্মারকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ইউপি চেয়ারম্যান আবু রাশেদ আলমগীরকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ওয়ার্ড কমিটির নিকট হতে উপযুক্ত ব্যক্তির তালিকা না নিয়ে কেবলমাত্র ভোটার আইডি কার্ড গ্রহণ করে উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা,উপজেলা কমিটির অনুমোদন ছাড়াই যাচাই-বাছাই না করে ১০ টি কার্ডে নাম কর্তন করে নতুন ব্যক্তির নাম অন্তভূক্ত করা, ভিজিডি কার্ডে নাম কর্তন করে একই কার্ডে ফ্লুইট ব্যবহার/ কাটাকাটি করে নতুন ব্যক্তির নাম অন্তভূক্ত করণ,নিয়মবহিভূতভাবে পৌরসভার বাসিন্দা হওয়া সত্বেও ২ জন মহিলাকে ভিজিডি কর্মসূচীতে অর্ন্তভূক্ত করে চাল বিতরণ এবং নাসিমা বেগমের স্বামীর সঙ্গে তালাক হয়ে যাওয়ার পরেও উপকারভোগীর স্বামী আব্দুর রশিদকে ১৬ মাস ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করার অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে তাকে সাময়িক তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সুফিয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় ইপ-১ অধিশাখা হতে একটি প্রজ্ঞাপন পেয়েছি। যেখানে ইউপি চেয়ারম্যান আবু রাশেদ আলমগীরকে বরখাস্তের আদেশ দেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাময়িক বরখাস্তকৃত বড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আবু রাশেদ আলমগীর বলেন, একটি মহল মন্ত্রনালয়ের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমার বিশ্বাস সত্য প্রামনিত হবে।