কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামীলীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ সহ আহত ৭

হাসার ইমাম রাসেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির(২৫) নামে এক সাংবাদিক গুরুত্বর আহত হয়েছে।

সে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের স্থানীয় প্রতিনিধি। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশীরহাট বাজারের তরকারি বাজারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হয় সে।

গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। এদিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়ার পথে উপজেলার টেকের বাজারে প্রেসক্লাব কোম্পানীগঞ্জ সভাপতি হাসাান ইমাম রাসেলের গাড়িতে হামলা করেছে উপজেলার চরকাকড়ার আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম ইসলাম সবুজের সমর্থকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জা বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের কমিটি ভেঙ্গে দিলে আ’লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশীরহাট বাজারে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়।

পরে বাদলের অনুসারীরা চাপরাশীরহাট বাজারে মিছিল করতে গেলে কাদের মির্জার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কাদের মির্জা উপস্থিত হলে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয় এবং তারা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়, এছাড়াও দুই পক্ষের অন্তত ৩৫জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৭জনের অবস্থা আশংকাজনক।