কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানে ভৈরবে প্রশিক্ষণ

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম ২০২১ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কর্মী ও সেচ্ছা সেবকদের২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ অনুষ্টানে উপজেলার ৬০ জন টিকাদান কর্মী ও সেচ্ছাসেবক অংশ গ্রহন করছেন।

আজ বুধবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসুচি অনুষ্টিত হয়। ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে আজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে ২০ জন টিকাদান কর্মী অংশ গ্রহন করেন।

অনুষ্টান পরিচালনা করেণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোঃ খোরশীদ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোর্স সমন্ময়কারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ সাফি উদ্দিন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে এ টিকাদান প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ডা মোঃ খোরশীদ আলম বলেন, গত ২৭ জানুয়ারী জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক তত্ত্ববধানে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম আনুষ্টানিক ভাবে শুরু হয়েছে।

একই সাথে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী দেশব্যাপী এক যোগে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হবে। এরই প্রস্তুতি হিসেবে গত দুদিন আমরা যারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছি সবাই প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছি । প্রশিক্ষণ শেষে আমরা আজ ও কাল দু দিন ব্যাপী যারা টিকাদান টিকা প্রদান করবেন এমন টিকাদান কর্মী ও স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। সে লক্ষে উপজেলায় ৩টা টিম আর ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭টি সহ মোট ১০টি টিম আমরা তৈরি করব। প্রতিটা টিমে আমাদের ৬ করে সদস্য থাকবে।

এ ৬ জনের মধ্যে থাকবে ২ জন দক্ষ টিকাদান কর্মী আর বাকি ৪ জন থাকবে সেচ্ছাসেবককর্মী। সে হিসেবে মোট ২০ জন দক্ষ টিকাদানকর্মী ও ৪০ জন সেচ্ছাসেবীকে প্রশিক্ষণ দেব। সমস্ত প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারী আমরা ভৈরব উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম শূরু হবে।

সে লক্ষে জেলা থেকে আগামী শুক্রবার অথবা শনিবার যথেষ্ট সতর্কতার সহিত ভ্যাকসিন গ্রহন করে সেটা পরিবহনের মাধ্যমে অত্র উপজেলায় নিয়ে আসা হবে। এ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম ভৈরব উপজেলার কমলপুরস্থ ২০ সয্যা বিশিষ্ট ত্রমা হাসপাতালে ইপিআই সেন্টারে ভ্যাকজসিন কার্যক্রম শুরু হবে। ভ্যাসিন গ্রহনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিবন্ধন করতে হবে।

উপজেলা পর্যায়ে আমাদের এখানে ৩টা বুথ হবে। প্রতিটা বুথে ৬ জন করে সদস্য থাকবে। এখানে পুরুষদের জন্য ২ টা বুথ আর মহিলাদের জন্য ১ টা বুথ বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। এই ৩ টা বুথ থেকে প্রতিদিন আমরা ৩ শ থেকে সাড়ে ৪ শ জনকে টিকা প্রদান করতে পারব। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যারা টিকা গ্রহন করবেন তারা হলেন ৫৫ উর্ধ্বো লোকজন, প্রশাসন, স্বাস্থ্যকর্মী, জাতিয় পর্যায়ের খেলোয়য়ারবৃন্ধ ছাড়াও সরকারি কর্মচারি কর্মকর্তাগণ।