কুড়িতেই বুড়ি হচ্ছেন, ঘুমানোর জন্য নয়তো

সঠিক সময়ে এবং ঠিকমত ঘুমালে শরীর ভালো থাকে। কথাটি যুগ যুগ ধরে পরিবারের কর্তারা বলে আসছেন।

ঘুমানোর জন্যই ত্বক ভালো থাকে। ঘুমের সঙ্গে অবশ্যই ত্বকের সম্পর্ক রয়েছে। অনেকের অল্প বয়সেই ত্বক ঘুচিয়ে যায়।

এর জন্য আপনার ঘুমানোর ভঙ্গি দায় নয় তো! ঘুমানোর ভঙ্গি ঠিক না হলে ত্বকের গ্রন্থিগুলো ঠিক মতো বাতাস পায় না।

এজন্য ত্বকসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। অল্পতেই বয়স্ক দেখায়। এবার তাহলে ঘুমানোর সঠিক উপায়গুলো জেনে নেয়া যাক-

বালিশ জড়িয়ে ঘুমানো : অনেকে পাশ ফিরে বালিশ জড়িয়ে ঘুমাতে ভালোবাসেন। এতে করে ত্বকে দাগ ও চুলকানির সমস্যা হয়ে থাকে।

অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া থাকে। এ কারণে পরিষ্কার বালিশের কভার পরিয়ে তারপর ঘুমাতে পারেন। এছাড়া রাতে কোনো ক্রিম মেখেও ঘুমাতে পারেন।

চিৎ হয়ে শোওয়া : বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, ঘুমানোর জন্য এটাই ভালো উপায়। পিঠ দিয়ে শোওয়ার ফলে ত্বকের সকল

গ্রন্থি ভালোমতো অক্সিজেন পায়। এতে করে রক্ত সঞ্চালনও ঠিক মতো হয়। নিয়মিত এভাবে ঘুমানোর ফলে ত্বকে কোনো প্রকার দাগ পড়ে না।

বালিশের তেল বা অন্যান্য ময়লাও ত্বকে লেগে যায়। এমনকি চুলকানির মতো ঝুঁকিও কম থাকে।

পেটে চাপ দিয়ে উপুড় হয়ে ঘুমানো : অনেক মানুষই এভাবে ঘুমাতে ভালোবাসেন। হয়তো তারা জানেন না যে,

এভাবে ঘুমানোয় অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে। ত্বকের গ্রন্থিগুলো ঠিকমত অক্সিজেন পায় না। বালিশে মুখ গুঁজে

ঘুমানোর ফলে মুখের ত্বকে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। রক্তসঞ্চালনও ঠিকমত হয় না। চোখের তলায় ফোলা ভাবসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। তাই এভাবে না ঘুমানোই ভালো।

পাশ ফিরে ঘুমানো : ত্বক ভালো রাখার জন্য এই ভঙ্গিতে ঘুমাতে পারেন। এভাবে ঘুমানোর ফলে ত্বকের ক্ষতি কম হয়।

তবে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোনো ক্রিম লাগালে তা বালিশে লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার খুব চাপ দিয়ে ঘুমালে মুখের একপাশে বলিরেখা ও ত্বক কুঁচকে যাওয়ার মতো বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।