কুড়িগ্রামে পুলিশ দেখলেই সামাজিক দূরত্ব,চলে গেলেই জনসমাগম!

মজাহারুল ইসলাম মিলন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে পুলিশ দেখলেই সামাজিক দূরত্ব,আবার পুলিশ চলে গেলেই জনসমাগম তৈরি করে বিভিন্ন বাজার ও দোকানপাটে ভীরজমান স্থানীয়রা।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম’র নির্দেশে চেকপোস্ট বসিয়ে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বেরোলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি। কারণ নিত্যপণ্য কেনাবেচা করতে শত শত লোকের সমাগম হচ্ছে জেলা ও উপজেলা শহরের বাজারগুলোতে।নির্ধারিত সময়ের মধ্য পুলিশ দোকানপাট বন্ধের কথা বললেও তা মানছেন না দোকানিরা।

পুলিশের ওপর উল্টো উত্তেজিত হয়ে বাকবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে।এমনকি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে জেলা প্রশাসন নির্ধারিত বাজারগুলো স্থানীয় বড় মাঠে স্থানান্তর করছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার, শাস্তি ও জারিমানা আদায়ের মাত্রা বাড়লেও ফাঁক পেলেই লোকজন জড়ো হচ্ছে রাস্তায়, চায়ের দোকানে, অলিগলিতে। এর সঙ্গে আছে ত্রাণের আশায় অভাবগ্রস্ত মানুষের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছোটাছুটি। তবে করোনায় আক্রান্তের হার বেড়ে যাওয়ায় বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক স্বেচ্ছায় লকডাউন করার প্রবণতাও লক্ষ্য করা গেছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম জানান, বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধে জেলার বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ।এ অবস্থায় সরকারী নির্দেশনা মানা সবচেয়ে জরুরী,জেলার অধিকাংশ লোক এখনও সচেতন না, তাদেরকে সচেতন করতে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনকে আরও জোড়ালো ভাবে কাজ করতে হবে।পুলিশ জনসমাগম ঠেকাতে এবং জনগনকে সচেতন করতে নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।আইন প্রয়োগে এখন থেকে পুলিশ আরও কঠোর হবে।