কুমিল্লায় জেলা পরিষদ সদস্য সাধন হত্যায় জড়িত ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

বশিরুল ইসলাম, কুমিল্লা প্রতিনিধি: জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বরাত দিয়ে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার ছয়ঘরিয়ার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী রোডের পাশে সশস্ত্র ডাকাত দল ডাকাতির জন্য সমাবেত হয়েছে।

ডাকাতদের মধ্যে চাঞ্চল্যকর মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগ নেতা সাধন হত্যা মামলার পলাতক আসামীও রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিবি ও চান্দিনা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ডাকাতদের গ্রেফতার করতে গেলে সশস্ত্র ডাকাত দল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলিবর্ষন করে।

ডিবি ও চান্দিনা থানা পুলিশের যৌথটিম আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি বর্ষন করে। পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে প্রায় ২৫ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয় এবং ডাকাত দলের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যান্য ডাকাত সদস্যরা গুলি বর্ষন করতে করতে পালিয়ে যায়।

আহত পুলিশ সদস্যদের এবং আহত ডাকাতকে উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার আহত ডাকাতকে মৃত ঘোষনা করেন এবং আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। ঘটনাস্থল হতে একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ,পাচঁ রাউন্ড ফায়ারকৃত গুলির খোসা, দুইটি রামদা, একটি ছুরি একটি চাপাতি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।

উক্ত ঘটনায় পলাতক ডাকাতদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে । আহত ডাকাতকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার নিকট থাকা মোবাইল এর মাধ্যমে জানা যায় যে, সে বরগুনা সদর উপজেলার ফুলতলা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে খোকন(৪৫)। আহত পুলিশ সদস্যরা হলো কনষ্টেবল মোল্লা আব্দুস সবুর ও সুমন ।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান,দুই রাউন্ড কার্তুজ,৫টি দেশীয় অস্ত্র। নিহত ডাকাত খোকন জেলার মুরাদনগরের যুবলীগনেতা জেলা পরিষদ সদস্য সাধন হত্যা মামলার পলাতক আসামী।