কুমিল্লায় করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া ৭ জনের মধ্যে ৫ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ

এম এ বাশার, কুুুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি: কুমিল্লায় করোনা উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর, দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, দাউদকান্দি ও হোমনায় শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনের নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। মৃত্যুর পূর্বে তাদের জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা ছিল। শিশুসহ বাকী দুইজনের রিপোর্ট এখনও আসেনি।

শনিবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রসহ পাঁচজনের রিপোর্ট নেগেটিভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

কুমিল্লা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮ এপ্রিল মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের বলীঘর গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে রায়হান সরকার নামে এক যুবক মারা যায়। একই সমস্যা নিয়ে গত ১৪ এপ্রিল দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের দুলাল ভুঁইয়া নামের ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র মারা যায়।

তিনি ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। একই উপসর্গ নিয়ে ৮ এপ্রিল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কৈয়ারধারী গ্রামের মৃত ছালেহ আহম্মদের ছেলে মহিন উদ্দিন নামে এক যৃবক মারা যায়। এছাড়া ৭ এপ্রিল নাঙ্গলকোটে মোশাররফ হোসেন (৪০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের দৌলখাঁড় তালুকদার বাড়ির আলী আক্কাছের ছেলে।

এছাড়াও দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের চক্রতলা গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয়ক ডা. মো. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে জেলার মুরাদনগর, দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট এবং দাউদকান্দিতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের নমুনা আইডিসিআরে পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসে।

অন্যদিকে গত ১৪ এপ্রিল চৌদ্দগ্রামে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মাহবুবুর রহমান রাতুল (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের শাহজানের ছেলে। ১৭ এপ্রিল হোমনায় করোনার উপসর্গ নিয়ে নুসরাত (তাথৈ) নামে সাড়ে চার বছরের এক মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআরে পাঠানো হলেও এখনও ফলাফল আসেনি।