কুমিল্লার মুরাদনগরে ৮ বছর বয়সের শিশুকে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ

এম এ বাশার, কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার মুরাদনগরে ৮বছর বয়সী এক প্রবাসীর শিশুকে ১০ টাকা ও মজার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ।

শিশুর চিক্কার দেখে টাকা দিয়ে মুখ চেপে ধরেন, শিশুর চিক্কারে এলাকাবাসী আসলে ধর্ষক, গঠনাস্থলেই পলাতক।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার হাঁটাশ গ্রামে প্রবাসী ইউনুস মিয়ার মেয়ে রিয়া মনি (৮)এর সাথে গঠনাটি গঠে।

উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার পূর্বধের পশ্চিম ইউনিয়নের হাঁটাশ গ্রামের মৃত জব্বার আলীর ছেলে আবু তাহের ( লাডুম) ৬০,

এ ঘটনায় এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। ৮ বছর বয়সী এ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা লিপি আক্তার।

এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাড়ীর পাশের জমিতে ঘাস কাটতে যাওয়ার সময় ধর্ষক লাডুম, রিয়াকে মজা দেবে বলে সাথে নিয়ে কলা গাছের চিপায়,

তাকে ধর্ষণ করলে চিক্কার দিলে তাকে দশ টাকা দিয়ে কাউকে না বলার কথা বলে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দেন ৮ বছরের শিশুকে।

রিয়ার দিদি আনোয়ারা বলেন,গতকাল (২৩ মার্চ) মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় দেখি সে স্ব-জুরে কান্না কাটি করে বাড়ীর দিকে আসতেছে,

তার হাতে দশ টাকার একটা নোট। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলে সে আমাদেরকে বলে মজা দিবে বলে ঐ লোকটা আমাকে ঐ খানে কলা গাছের জোপে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে,

যখন সে চিক্কার শুরু করে তখন তাইরে ছাইরা দিছে, ছাইরা দিয়া তার হাতে দশটা টাকা দিয়ে দিছে,দশটা টাকা দিয়া কইয়া দিছে,বাড়ীত জাইয়া কইছনা,

প্রতিদিন তুই আইছ, তোরে দশ টাকা করে দেমু, এ কথা তাকে শিখিয়ে দেন ধর্ষক লাডুম। রিয়া ও আমার ছেলের বউ লিপি কে নিয়ে সদর হাঁসপাতালে আছেন।

ধর্ষক আবু তাহেরের বাড়ীতে গিয়ে যোগাযোগ করতে চাইলে ও কাউকে না পাওয়ায় তার মতামত জানা যায়নি, এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন,

৮বছর বয়সের শিশুর ধর্ষণের চেষ্টার মামলা হাতে পেয়েছি,সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, অভিযোক্তকারীকে খুজে পাইনি।