কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে দোকান খোলার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদলতের অভিযানে ৯৭ হাজার টাকা জরিমানা

এম এ বাশার, কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক গত ২০ মে গণবিজ্ঞপ্তি আদেশ জারি করা হয়। এতে নিত্যদ্রব্য ও মেডিসিনের দোকান ছারা সকল প্রকার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আদেশ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অভিষেক দাশ। কিন্তু পরের দিন ২১ মে বৃহস্পতিবার আদেশে অমান্য করে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দোকানপাট বিশেষ করে কাপরের দোকান খোলা থাকতে দেখা যায়।

করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে এই আদেশ কার্যকর করতে অভিযানে নামেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক দাশ এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম কমল। উপজেলা প্রশাসন সূ্ত্রে জানাযায়, কোম্পানিগঞ্জ বাজারে ৬টি, বাঙ্গরা বাজারে ৫টি, শ্রীকাইল বাজারে ৪টি এবং বিষ্ণুপুর বাজারের ২টিসহ একই দিনে মোট ১৭ টি দোকান খোরা রাখার দায়ে জরিমান করা হয়। পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৭টি দোকান থেকে সর্বমোট ৯৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে জানাযায়।

তবে প্রসাসনের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে বিভিন্ন বাজারের অনেক ব্যবসায়ীরা দ্রুত দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ায় জরিমানা আদায়ের দোকানের সংখ্যাটা কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি শ্রীকাইল গ্রামের সাংবাদিক এম কে আই জাবেদ। দুপুরে শ্রীকাইল বাজারে অভিযান চালানোর শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক দাশ বলেন, নিত্য দ্রব্যের দোকান সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ও ঔষুধের দোকান সন্ধা ৭ পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এছাড়া অন্য সকল দোকানপাট পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সর্বক্ষণ বন্ধ থাকবে । কেউ এই আদেশ অমান্য করলে তাদের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং অভিযান অভ্যাহত থাকবে। প্রত্যেক এলাকার সচেতন নাগরিকদের কার্যকর ভূমিকা ও বাজার কমিটি দোকানপাট বন্ধে কার্যকর শক্ত ভূমিকা রাখতে বলেন। বাঙ্গরা বাজার, বিষ্ণুপুর বাজর ও শ্রীকাইল বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কাজে সহযোগিতা করেন বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি ইউনিট।