কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারলাে বাংলাদেশ

কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হেরে গেল বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দেওয়া ১৭১ রানের জবাবে ১৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪২ রান করে বাংলাদেশ।

দুই দফায় বৃষ্টি হানা দেওয়ায় ব্ল্যাক ক্যাপদের ইনিংস ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৩ রান থাকতে শেষ ঘোষণা করেন মাঠের আম্পায়াররা।

ডি/এল মেথডে বাংলাদেশের সামনে প্রথমে ১৬ ওভারে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪৮।

কিন্তু বাংলাদেশের ইনিংসের ১.৩ ওভারের সময় ম্যাচ অফিসিয়ালরা আবারও পর্যালোচনা করে কিউইদের রান নির্ধারণ করেন ১৭০।

নেপিয়ারে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ।

মোহাম্মদ নাইমকে সঙ্গে নিয়ে একটা সময় আশা জাগিয়ে তুলেছিলেন সৌম্য সরকার। প্রথম দশ ওভারে বাংলাদেশ তুলে ১ উইকেটে ৯৪ রান।

৩৬ বলে তখন টাইগারদের দরকার ৭৬। হাতে উইকেট আছে, চালিয়ে খেললে অসম্ভব নয়।

কিন্তু ১০ ওভার পার হতেই রানের চাপে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সফরকারিদের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৪২ রানে থামলো বাংলাদেশ।

ডাকওয়ার্থ লুইসে ২৮ রানে হেরে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নিউজিল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা খুইয়েছে টাইগাররা।

সিরিজ বাঁচাতে নেপিয়ারে ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। আর তাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন সৌম্য সরকার।

বহুদিন পর যেন খোলস খোলে বেরুলেন এই বামহাতি ব্যাটসম্যান। ২৭ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে খেললেন এক চমৎকার ঝড়ো ইনিংস।

এবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ লিটন দাশ। তার বিদায়ের পরপরই সৌম্যের জ্বলে ওঠা।

আরেক ওপেনারর নাঈম শেখ ৩৫ বলে ৪ চারে ৩৮ রান সঙ্গী করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সৌম্যের বিদায়ের পর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (১২ বলে ৪ চারে ২১ রান) যা একটু চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু বল ও রানের ব্যবধান খুব বেশি হয়ে দাঁড়ায় শেষদিকে।

আফিফ হোসেন (২), মোহাম্মদ মিঠুন (১), মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (৩) সামান্য ব্যবধান কমানো ছাড়া বেশিকিছু করে ওঠতে পারেননি।

মেহেদী হাসান ১২ ও তাসকিন আহমেদ শূন্য হাতে অপরাজিত ছিলেন।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২টি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন টিম সাউদি, হামিশ বেনেট ও অ্যাডাম মিলনে।

এক উইকেট নিয়েছেন গ্লেন ফিলিপস। সেই সঙ্গে ৩১ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি।