করোনা ভাইরাসের মহা বিপর্যয়ের সময়েও বন্ধ হয়নি সিলেট নগরীর দক্ষিন সুরমার চোলাই মদের ব্যবসা

এনাম রহমান, সিলেট জেলা প্রতিনিধি: চোলাই মদের পুরনো ডিলার বাহার বর্তমানে র‍য়েছে সিলেট জেল হাজতে। তার অবর্তমানে চোলাইমদের ডিলার গিরী চালিয়ে যাচ্চে নান্টু ও রঞ্জন। রঞ্জনের ঘর কে কারখানা হিসেবে ব্যবহার করছে তারা । এদের সাথে নতুন করে চোলাইমদের ব্যবসায় নেমেছে ব্রাক্ষন বাড়ীয়ার নবী নগর থানার সাহেব নগর গ্রামের আইয়ুব ও ডিবির সোর্স হিসেবে পরিচিত আবুল।

জানা গেছে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন রাজনগর ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকা থেকে সি এন জি অটো রিক্সা এবং পিকআপ ভ্যানে করে চোলাই মদ এনে দক্ষিন সুরমার কীং ব্রীজ ও ভার্থখলা এলাকায় বিশেষ করে সুইপার কলোনি সহ এর আশপাশের কলোনী গুলোতে পাইকারী ও খুচরা মদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্চে। বর্তমান করোনা বিপর্যয়ের সময়েও মাদক সেবীদের জমজমাট আড্ডা চলছে পুরো এলাকার স্পট গুলোতে।

আকতারের কলোনীতে আছে মাদক সেবীদের আনাগোনা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সুইপার কলোনীর কোনো বাসিন্দাই তেমন একটা মদপান করেনা। বহিরাগত মুসলমান মাদক সেবীরাই চোলাই মদের কাষ্টমার। সুইপার কলোনী সহ এর আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে অনেক ঘরেই চলছে চোলাই মদের আসর এবং মদপান কারীদের অধিকাংশই মুসলমান।

সিলেট জেল হাজতে থাকা মুল মাদক ব্যবসায়ী বাহারের বাড়ী চাঁদপুর জেলার শাহরাস্থি থানার আহমদ নগর গ্রামে। এখানকার সকল মাদক ব্যবসায়ী সিলেটে বহিরাগত। বাহারের প্রধান শেল্টারদাতা ছিলেন থানার বড়কর্তা নিজেই। গোয়েন্দা পুলিশের দায়ের কৃত ৪শ লিটার চোলাই মদের এজহার নামীয় পলাতক আসামী অবস্থায়ও সে থানায় যাতায়াত করতো। এ ছাড়া ভার্থখলা মসজিদ বাজার সংলগ্ন শফিকের কলোনী সহ আশপাশ কলোনী গুলোর গাজাঁ ব্যবসায়ী নাজু-ছায়া-মায়া রহিমা- জমশের -আয়াত আলী সবাই সিন্ডিকেট করে গাজাঁ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্চে। গত ২৫মে মোগলাবাজারে যে তিন কেজি গাজাঁ ধরা পড়েছে সেই গাজাঁ ভার্থখলার উক্ত গাজাঁ পল্লীতে আসার কথা ছিল বলে জানা গেছে।