করোনা ঝুঁকিতে চরাঞ্চলীয় দুটি উপজেলা

 রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ব্রহ্মপুত্র ও সোনাভরি নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রাজিবপুর-রৌমারী চরাঞ্চলীয় দুটি উপজেলা। এ চরাঞ্চলের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ খেটে খাওয়া দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের। স্থানীয়ভাবে কর্ম সংস্থান না থাকায় প্রতিনিয়ত জীবন চালনার তাগিদে কাজের সন্ধানে ছুটতে হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে। বর্তমান নোভেল করোনায় বিভিন্ন জেলা লকডাউন ঘোষণা করায় কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছে ওইসব নিম্ন আয়ের শ্রমজীবিরা। কর্মহীন হওয়ায় নিজ ঠিকানা রাজিবপুর-রৌমারীতে ৯ থেকে ১১ এপ্রিল পযর্ন্ত অন্তত ৩ হাজার শ্রমজীবি মানুষ ঘরে ফিরেছে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে। লোক চক্ষুর আড়ালে ২-৩ হাজার টাকা খরচ করে কেউ ট্রাক-পিক্যাপ, কেউ অটো-রিক্সা, আবার কেউ পায়ে হেটে এসেছে কুড়িগ্রাম-জামালপুর সীমানায়। গণপরিবন বন্ধ থাকায় রাজিবপুর-রৌমারী সীমানায় হেটে যেতে দেখা গেছে ওই সব মানুষদের। এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, ‘ওয়ার্ড পর্যায়ে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশদের দিয়ে খোজ নিয়ে তালিকা প্রস্তুত করে তাদের চিহ্নিত করা হবে এবং হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হবে।

রেীমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আবু মোঃ দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, ‘ঘরে ফেরৎ মানষ গুলো পরিস্থিতির স্বীকার, তবে এসব মানুষদের মাইকিং করে সচেতন করাসহ হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে এবং নজরদারীতে রাখা হয়েছে।’ এমন পরিস্থিতিতে রাজিবপুরের বাহির থেকে যারা এসছে তাদের বাড়ী বাড়ী দিয়ে নানা ধরনের পরামর্শ ও হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করণে কাজ করছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের পরিসংখ্যানবিধ রোকনুজ্জামান রাজু, স্বাস্থ্য সহকারীসহ রাজিবপুর করোনা প্রতিরোধ স্বেচ্ছা-সেবীরা। তিনি জানান, “যেভাবে দুই উপজেলায় লোক এসেছে এতে রাজিবপুর ও রৌমারী দুই উপজেলার সকলেই হুমকির মুখে রয়েছি।