করোনা কালে ২য় দফায় বন্যা; হতাশায় কৃষক

রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : সারাবিশ্ব প্রাণঘাতী করোনার প্রভাবে যখন স্থবির, ঠিক তখনই বারবার আঘাত হানছে বন্যা। করোনার প্রভাব কাটতে না কাটতেই আগাম বন্যার কবলে ধ্বংশ হয়ে গেছে হাজার হাজার একর সবজি জাতীয় ফসল। প্রথম বন্যার ধকল শেষ না হতেই আবারও ২য় বার বন্যার আঘাত, হতাশায় কৃষক।

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। এখানে শাক-সবজি জাতীয় ফসল প্রায় ৫০ হেক্টর, প্রায় ২০০ হেক্টর, আউশ ধান ১৬০ হেক্টর, বীজতলা ১৫ হেক্টর, পাট ১৮০ হেক্টর যা এ অঞ্চলের এসময়ের প্রধান ফসল। এ বছর আগাম বন্যার কারণে শাক-সবজি, তিল, কাউন, চিনা, চিনা বাদাম নষ্ট হয় প্রথম দফায়। অতি বৃষ্টি এবং ২য় দফার বন্যায় পাটের পরিপক্কতা না হওয়ায় পানি বাড়ার সাথে সাথে মরে যাচ্ছে পাট। চরমভাবে ক্ষতির হিসেব গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার খায়রুল ইসলাম জানান, “বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির জরিপ করে জেলা অফিসে রিপোর্ট পাঠিয়েছি।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, “এ অঞ্চলে প্রতিবছর বন্যায় কৃষকের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বন্যা পরবর্তী সময়ে আমন ধান এবং সবজি জাতীয় ফসল চাষে নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি।”