করোনা ও করোনা ছাড়া রোগী নিয়ে যা বললেন সিলেটের প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকগণ

এনাম রহমান, সিলেট জেলা প্রতিনিধি:  সিলেটের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে সিলেট প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স এসোসিয়েশন। সংবাদ সম্মেলনে এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ হাসপাতালগুলোর সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। আজ সোমবার (৮ জুন ) দুপুরে সিলেট নগরীর দরগা গেইট হোটেল নুরজাহান গ্রান্ড এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই নেতৃবৃন্দ গত সপ্তাহে সিলেটে হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ঘুরে বিনা চিকিৎসায় ৩ জনের মৃত্যুবরণের ঘটনায় দু:খ প্রকাশ এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাসহ সংক্রমণশীল রোগের চিকিৎসা প্রদানের জন্য সিলেটের বেসরকারি হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো প্রস্তুত নয়। প্রতিটি হাসপাতালে রোগী প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার পথ একটিই, এতে সকলের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়াও একই হাসপাতালে কোভিট-ননকোভিট রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ননকোভিটরাও আক্রান্ত হতে পারেন।

কোভিট রোগীর ভর্তিতে অনেক সময় ননকোভিট রোগীরা ট্রিটমেন্ট অসম্পূর্ণ রেখেই চলে যান। তা ছাড়াও করোনা চিকিৎসা দিতে গেলে হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দারা বাঁধা প্রদান করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, এসব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার পর সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ ও মাউন্ট এডোরা হসপিটালকে করোনা চিকিৎসার বিকল্প স্থান হিসেবে প্রস্তাব করা হয় এবং এ বিষয়ে সরকারি সহায়তা ও অনুমোদন চাওয়া হয়। কিন্তু তা মেলেনি। এরপরও এ দুইটি হাসপাতাল নিজেদের ব্যবস্থাপনায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করবে।

সাংবাদিক একরামুল কবিরের এক প্রশ্নের জবাবে ডা, নাসিম আহমেদ বলেন আমরা প্রথমেই দুংখ প্রকাশ করেছি, চিকিৎসা না পেয়ে আর যেনো কোনো রোগী মারা না জানে আমরা ক্লিনিক হসপিটালে নির্দেশনা দিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টার ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. নাসিম আহমদ, সহসভাপতি প্র. ডা. সৈয়দ মাহমুদ হাসান ও প্র. ডা. আবু ইউসুফ ভূইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আজিজুর রহমান রোমান।