করোনার মাঝে ভাল নেই চাঁদপুরের ডেকোরেটর মালিক ও কর্মীরা

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ বৈশ্বিক করোনা মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভাল নেই চাঁদপুরের ডেকোরেটর মালিক ও কর্মচারীরা। গত মার্চ মাস থেকে করোনা মহামারি বাংলাদেশে দেখা দিলে সরকারের নির্দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাগন সকল কিছু লকডাউন করে দেয়। বন্ধ হয়ে যায় বিয়ের অনুষ্ঠান সহ সকল অনুষ্ঠান। বেকার হয়ে যায় ডেকোরেটর মালিক ও শ্রমিকরা। বর্তমানে এরা মানবেতর ভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতি পাত করতে হচ্ছে।

চাঁদপুর শহরে এবং অলিতে গলিতে প্রায় ৫০টির মতো ডেকোরেটর রয়েছে।এ সব ডেকোরেটরে কম পক্ষে ২শর মতো শ্রমিক কর্মচারী কাজ করে পরিবারের মুখে আহার তুলে দেয়। মার্চ মাস থেকে আগষ্ট মাস পর্যন্ত এ ৬ মাসে তারা প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের আর্থিক তো দূরের কথা খাদ্য সহায়তা পর্যন্ত তারা পায়নি বলে জানায়। শুধু মাত্র ১ বার শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দিপু মনির বাসভবন থেকে খাদ্য সহায়তা পেয়েছে কিছু সংখক ডেকোরেটর কর্মী।একই পরিস্হিতিতে আছে মালিকরা ও।

চাঁদপুর শহরের প্রসিদ্ধ ডেকোরেটর গুলোর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো মা ডেকোরেটর,লাকি ডেকোরেটর,মিলন ডেকোরেটর,সাজ ঘর ডেকোরেটর ,খাজা ডেকোরেটর,মমতাজ ডেকোরেটর, ভাই ভাই ডেকোরেটর, সাথি ডেকোরেটর,উৎপল ডেকোরেটরসহ আরো অনেক ডেকোরেটর।এসব ডেকোরেটরে কাজ করার মতো কর্মী রয়েছে প্রায় ২ শতাধিক।করোনা পরিস্হিতিতে এরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। রহমান খান, আমিন বেপারী,সুলতান, আব্বাস, মনির হোসেন, জামিল, শরীফ হোসেন, মনির হোসেন হাজী , সত্যজিত, বিশ্বনাথ, হুমায়ন, কাদের, শরীফ, রুহুল আমিন,লোকমান,মহাদেব, মোবারক,আব্দুল মান্নান, শামিম সহ অন্যান্য শ্রমিকরা বলেন, করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত আমরা নিদারুন ভাবে দিন যাপন করছি। জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, পৌর মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যা পর্যন্ত আবেদর করেছি সহায়তার জন্য কিন্তু কোনো সারা পাইনি।

আমরা ডেকোরেটর কর্মীরা সব সময় জেলা প্রশাসনেরর,পুলিশ সুপার, পৌরসভার সকল কাজ দ্রুততার সাথে সুন্দর ভাবে করে থাকি। কিন্তু করোনার মাঝে বেকার জীবন যাপন করে আবেদন করে ও কোনো প্রকার সহায়তা পাইনি। বূতমানে করোনা পরিস্হিতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাজের এসব প্রতিষ্ঠানিক কর্তারা যদি আমাদের দিকে দৃষ্টি দেন তাহলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে পারবো।