করোনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে নমুনা পরীক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমাদের পরীক্ষার সংখ্যা অনেক বেশি নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (সামাজিক সংক্রমণ) সীমিত পর্যায়ে আছে। তবে আমরা এখনও প্রকৃত পরিস্থিতিটা বুঝছি না। তাই আমরা যত বেশি সংখ্যক নমুনা পাব, তা দ্রুত পরীক্ষা করব।

“মাদারীপুরের শিবচরে এক জায়গায় মোট ১০ জন সংক্রমিত হয়েছেন। সেটা কিন্তু একটা ক্লাস্টার। কিন্তু এ ধরনের ক্লাস্টার বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন পর্যন্ত তেমন পাই নাই। তাই যত বেশি নমুনা পরীক্ষা করব, আমরা কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে জানতে পারব, কমিউনিটি ট্রান্সমিশন কোন পর্যায়ে রয়েছে।”

চীনে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের দুই মাসের বেশি সময় পর গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের কথা জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর।

শুরুতে শুধু আইইডিসিআরেই এই রোগ শনাক্তের পরীক্ষা চলছিল। তাতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য চালু করা হটলাইনে ফোন করেও অনেকে পরীক্ষা করাতে না পারার অভিযোগ করেন। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৬ মার্চ আক্রান্ত দেশগুলোকে সন্দেহভাজন প্রতিটি রোগীকে পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছিল।

পরে বাংলাদেশে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা সম্প্রসারিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।