ওয়াটসনের নেতৃত্বও পারেনি রংপুরকে জেতাতে

ঢাকায় প্রথম তিন ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে ছিল খুলনা টাইগার্স। কিন্তু চট্টগ্রামে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে সিলেট থান্ডার আর রাজশাহী রয়্যালসের কাছে হেরে যায় টানা দুই ম্যাচে।

খুলনা টাইগার্সের দেয়া ১৮৩ রানের টার্গেটে মাত্র ১৩০ রানেই থেমে গেলো রংপুরের ইনিংস। হতাশার পাল্লা হলো ভারী। হারতে হলো ৫২ রানে। ৬ ম্যাচে এটি রংপুরের পঞ্চম পরাজয়।

বোলারদের রান খরচার পর ব্যাটসম্যানরাও করলেন হতাশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ রান আসে লুইস গ্রেগরির ব্যাট থেকে। বাকি কারো ইনিংসই উল্লেখ করার মতো না।

কোনোভাবেই ভাগ্য ফেরাতে পারছে না রংপুর রেঞ্জার্স। পাঁচ ম্যাচে মাত্র একটিতে জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করা দলটি খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অধিনায়কই বদলে ফেলে। দলে নতুন যুক্ত হওয়া অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসনের কাঁধে দিলো নেতৃত্ব। আর প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হলো তাকে। মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৮৩ রানের বিশাল লক্ষ্যই যে দাঁড় করিয়ে ফেলেছে খুলনা টাইগার্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিটা বড় করতে পারেনি খুলনা। এদিন ওপেনিং করতে নেমে ১২ রানেই বিদায় নেন মেহেদীয় হাসান মিরাজ। তবে বড় আঘাত হয়ে আসে শূন্য রানে রাইলি রুশোর বিদায়। শামসুর রহমানও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৩ রানে তিনি বিদায় নিতে নিতে ফেরেন ওপেনার শান্তও। এরপর নাজিবুল্লাহ জাদরানকে নেয় দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। দুজনের জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় খুলনা। ১৯তম ওভারে বিদায় নেয়ার আগে ২৬ বলে ৪১ রানের কার্যকরি ইনিংস খেলে যান নাজিবুল্লাহ। আর মুশফিক বিদায় নেন ৫৯ রান করে।

৫৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খুলনা টাইগার্স। দলের হয়ে ৪ উইকেট নেন শাহিদুল ইসলাম, ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম ও ১টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ আমীর, ফ্রাইলিঙ্ক আর শফিউল ইসলাম।