এমপি পাপুলের কুয়েত CID কর্তৃক ক্লিন ইমেজ সার্টিফিকেট থাকার পরও কেন গ্রেফতার হলেন

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:  কুয়েতে CID কর্তৃক লক্ষ্মীপুর ২ আসনের এমপি কাজি শহিদ ইসলাম পাপুলের গ্রেফতারের বিষয়টি জনমনে ব্যপক সন্ধেহ ও উৎকন্ঠা শৃষ্টি হয়েছে। MP পাপুলকে কনস্যুলেট সেবা দেবে দূতাবাস : একটি আলোচনা মূলক সমীক্ষায় জানা গেছে। কুয়েত থেকে প্রকাশিত অনলাইনডেক্স মাসিক মরুলেখা ও আইএমএফ , এর বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।

কুয়েত প্রবাসী বিশিস্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চলমান এম পি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল ( লক্ষীপুর ২ আসন) বেশ কয়েক মাস যাবৎ খবরের প্রথম পাতায় শীর্ষে অবস্থান করছেন বিভিন্ন কারণে । গত মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশী-বিদেশী পত্রিকায় পাপুলকে নিয়ে মানবপাচার ও মানি লন্ডরিং এর খবরে আলোচনার ঝড় ওঠে । গত ৬ জুন ২০২০ ইং কুয়েত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপারর্টমেন্ট ( CID ) পুলিশ কুয়েতস্ত পাপুলের মোরশেফ বাসা থেকে রাত ৯ টায় গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এমপি পাপুল কে । এর পরই দেশ এবং বিদেশে পাপুলকে গ্রেফতার নিয়ে আবারও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া , কুয়েতের দৈনিক আরবী , ইংরেজী পত্রিকা ,অনলাইন পোট্রাল ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে আলোচনা-সমালোচনা , টক শো , খবর , কলাম প্রকাশিত হচ্ছে ।

কুয়েত প্রবাসীদের মুখেও পাপুলকে নিয়ে বিভিন্ন কথা বয়ে বেড়াচ্ছে । এ ব্যপারে আমি  ৮ জুন ফোনে কথা বলেছি কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের দূতালয় প্রধান ও রাজনৈতিক কাউন্সিলর মো: আনিসুজ্জামানের সাথে । ওঁনার সাথে এমপি পাপুলকে নিয়ে আলোচনার কিছু বিশেষ তথ্য প্রকাশ করা হল :- এমপি পাপুলকে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আইনি সহায়তা বা কনস্যুলেট সার্ভিস দেবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে দূতালয় প্রধান আমাকে জানান , দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক অসুবিধায় পড়ে আইনি সহায়তা পেতে পারেন এটা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। আর আপনি নিশ্চয়ই জানেন , বাংলাদেশ দূতাবাস খুনের আসামিদেরও আইনি সাহায়তা দিয়েছে বিভিন্ন সময় ।

এ ক্ষেত্রে শহিদুল ইসলাম পাপুল একজন বাংলাদেশী কুয়েত প্রবাসী , একজন উচ্চ মানের ব্যবসায়ী এবং সর্বোপরি বাংলাদেশ জাতীয় চলমান সংসদের একজন এমপি । সেই হিসাবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে ওঁনি সর্বাত্তক আইনি সহায়তা পাবেন । আমার জানা মতে গত তিন মাস পূর্বে শহিদুল ইসলাম পাপুলকে কুয়েত CID একটি “ক্লিন সার্টিফিকেট” দিয়েছিল যা মাননীয় রাস্ট্রদুত এস এম আবুল কালামের পেড এ দূতাবাসের ফেসবুক সাইটে আপনারা প্রকাশ করেছিলেন । প্রশ্ন হল , CID র ক্লিন সার্টিফিকেট থাকার পরও কেন আবার CID পাপুলকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল ? এতে করে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তিও ভীষণ ভাবে খুন্ন হচ্ছে , এমন প্রশ্নের জবাবে দূতালয় প্রধান আমাকে জানান , ক্লিন সার্টিফিকেট দেওয়ার পরে কেন গ্রেফতার করা হল এ ব্যপারে আমরা ইতি মধ্যেই জানার চেস্টা তদবির করছি । তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যপারে আমরা কিছুই বলতে পারব না ।

তবে CID পক্ষ থেকেও দূতাবাসেকে গ্রেফতারের কোন সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি । তবে আশা করছি , খুব শীগ্রই পাপুল সাহেবের গ্রেফতারের কারণ আমরা জানব এবং আমাদের পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়কে এ ব্যপারে ব্যাখ্যা দিব ।