এবার সম্রাটের গডফাদারদের খোঁজে মাঠে নেমেছে র‍্যাব

ঢাকায় অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার হোতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর এবার তার গডফাদার মদদ ও আশ্রয়দাতাদের খোঁজে মাঠে নেমেছে র‍্যাব। খোঁজা হচ্ছে ক্যাসিনোর সঙ্গে সরাসরি জড়িত অন্তত ১৫ রাজনৈতিক নেতাকে। র‍্যাব জানিয়েছে, সম্রাটের ক্যাসিনোর টাকার ভাগিদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের যাদের নাম আসবে তাদের কেউ ছাড়া পাবে না।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯। ঢাকায় শুরু হয় ক্যাসিনোবিরোধী র‍্যাবের শুদ্ধি অভিযান। সামনে আসে গডফাদার ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নাম। অভিযানের পর থেকেই আত্মগোপনে যায় সম্রাট। ১৯ দিনের নানা জল্পনাকল্পনার পর ৬ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয় কুমিল্লা থেকে। সম্রাট ছাড়াও ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়েছে খালেদ-শামীম-লোকমান-আরমান-ফিরোজসহ শীর্ষ ৭ হোতা।

র‍্যাব জানায়, সম্রাটের সূত্র ধরে তারা খুজঁছে নেপথ্যের গডফাদারদের। তার অবৈধ অর্থ যাদের কাছে যেতো তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে ক্যাসিনোতে জড়িত মোল্লা আবু কাওসার, মমিনুল হক সাঈদ, এনামুল কহ এনুসহ কমপক্ষে ১৫ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ক্যাসিনোর সঙ্গে যুবলীগ চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা আছে কিনা সম্রাটের কাছে জানতে চাওয়া হবে বলেও জানায় র‍্যাব। আড়ালের অপরাধীদের ধরতে প্রয়োজনে মুখোমুখি করা হবে সম্রাট-আরমান-খালেদ-শামীম-ফিরোজ-লোকমানদের। এতে তাদের গোপন তথ্য বেড়িয়ে আসবে বলে মনে করছে র‍্যাব।

সম্রাট ও আরমানের দেশবাংলা মাল্টিমিডিয়া নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও আছে। ক্যাসিনোর অবৈধ টাকা চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ হয়েছে কিনা বা এই প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অন্য কোনো অপকর্ম হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে র‍্যাব।