উল্লাপাড়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ কর্মিগণ ঝুকি নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন

মোঃ আলমগীর হোসেন আলম, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ কর্মিগণ ঝুকি নিয়ে জনগনকে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সারা দেশের ন্যায় উল্লাপাড়াতেও করোনার প্রভাবে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। মানুষ ঘর বন্ধি হয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে করোনা প্রতিরোধ করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক দিক নির্দেশনা মেনে করোনার বিরুদ্বে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করছে উল্লাপাড়াবাসী। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর হতে বাহির হচ্ছেন না বেশির ভাগ মানুষ। হতদরিদ্র খেটে খাওয়া দিনমজুরগণ ত্রান সামগ্রী পেয়ে তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কারোনা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা টিকাদান কর্মসূচী পরিচালনার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) তাবু তাহের ফারুকী জানান; মাঠ পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত রয়েছেন ৬৫ জন সি.এইস.সি.পি এবং অনন্যা স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্য সহকারী ৬৭ জন, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ১৬ জন, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ২ জন, ই.পি.আই টেকনিসিয়ান ১ জন, ৫ টা সাব সেন্টারে কর্মরত ডাক্তার সহ ২৫ জন মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত আছেন। মাঠ পর্যায়ে এ সকল কর্মিবাহিনী ১০টি টিকা কার্যক্রম সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে আসছেন। এছাড়াও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। এ সকল কেন্দ্র পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট, আয়া, পিয়ন। এছাড়াও অত্র বিভাগের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন পরিবার কল্যাণ সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গন এই দুই বিভাগের সমম্বিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জনগনের কাছে স্বাস্থ্য সেবা, টিকা কার্যক্রম, জন্মনিয়ন্ত্রণ, গর্ভবতী সেবা, প্রসূতি সেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা সহ প্রানঘাতী ভাইরাস করোনা মোকাবেলায় সচেতনতা গড়ে তুলতে জনগনকে সচেতন করছেন। এ সকল বিশাল কর্মিবাহিনী এই কঠিনতম সময়ে করোনা প্রার্দূভাব ঠেকাতে নিরলশ ভাবে কাজ করলেও নিজেদের প্রতিরক্ষায় নেই নূন্যতম মাস্ক, হ্যান্ডস্যানিটাইজার। এই বিশাল কর্মিবাহিনীকে সুরক্ষায় এ সকল প্রতিরোধ মূলক সামগ্রী প্রদানের দাবি জানান সংশ্লিষ্টরা। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আনোয়ার হোসেন জানান, মাঠ পর্যায়ে এসকল কর্মচারীদের কমপক্ষে মাস্ক ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার দেয়া প্রয়োজন। তিনি আরো জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রুগীর জন্য আইসোলিউসিন বেড প্রস্তুত আছে। কেবল মাত্র করোনা সনাক্ত কারী ডাক্তার গন পি.পি.ই, সার্জিকেল মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লোভস পরার বিধান রয়েছে।