উপ-কমিটি গঠন নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ

বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলের পদ দিতে সুপারিশ করলে কেন্দ্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। সামপ্রতিক নানান বিতর্কের পর এবার উপকমিটি গঠন নিয়ে সুবিধাভোগী ও সুযোগসন্ধানীদের বিষয়ে সতর্ক ক্ষমতাসীনরা। উপ-কমিটিতে জায়গা দিতে ছাত্রলীগের সাবেক কর্মীদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। উপকমিটিগুলোকে এবার বিতর্কমুক্ত রাখা হবে বলে বৈশাখী টেলিভিশনকে জানিয়েছেন তারা।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে হঠাৎ করে ব্যাপক আলোচনা হয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় উপকমিটি ও সহসম্পাদকদের নিয়ে। গণহারে সহসম্পাদক করায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। এ কারণে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে সহসম্পাদক পদটি তুলে দিয়ে ১৯টি সম্পাদকীয় পদের বিপরীতে উপকমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব করার বিধান রাখা হয় গঠনতন্ত্রে।

সমপ্রতি সম্পাদকমণ্ডীর সভার ঘোষণায় বলা হয়েছে কোন বিতর্কিত ব্যক্তি কমিটিতে স্থান পেলে তাঁর দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট সম্পাদককে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক সম্পাদক জানান, যিনি নাম অন্তর্ভূক্ত করবেন তিনি দায় নিবেন, কেউ সুপারিশ করলে তাকেও দায় নিতে হবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, সুবিধাভোগীদের কোনভাবেই দলে জায়গা দেয়া হবে না।

যাচাই বাছাই করেই এবার উপকমিটির সদস্য করা হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।