উজানের ঢলে থেমে নেই পদ্মা-মেঘনা পাড়ে ভাঙ্গন

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর পানি বিপদ সীমার মাত্র ১৩ সে:মি: নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারত থেকে নেমে আসা পানির চাপ আরো বৃদ্ধি পেলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এমনিতে অস্বাভাবিক হারে পদ্মা-মেঘনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও মতলব উত্তরের কয়েকটি চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

মেঘনা রুদ্ররূপ ধারণ করে শহর রক্ষা বাঁধে প্রচন্ডভাবে আঘাত করছে। এ কারনে শহর রক্ষা বাঁধের পুরানবাজার হরিসভায় ৯০ মিটার এলাকায় ফাটল দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালি ভতি জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ বাবুল আক্তার বলেন, চাঁদপুরের বিভিন্নস্থানে নদীর তীব্র স্রোতে কোথাও কোথাও ভাঙন দেখা দেয়ায় তা রোধ করতে তৎপর রয়েছি। শহর রক্ষা বাঁধের হরিসভা এলাকার কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়ে ব্লক দেবে গেছে। বর্তমানে সেই বাঁধের ৯০ মিটার এলাকায় বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রক্ষার কাজ চলছে।

এছাড়া চাঁদপুর সদর ইব্রাহিমপুরে মেঘনার ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বালি ভতি জিওব্যাগ ফেলানোর প্রস্তুতি চলছে। নির্বাহী প্রকৌশলী ইনকিলাবকে জানান, দু একদিনের মধ্যে সেখানে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হবে।

চাঁদপুর সদর হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার রাঢ়ি, ইব্রাহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম খান ও রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী জানান, উজানের ঢলে চাঁদপুরের নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। জোয়ারের সময় নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হলে মানুষ পানিবন্দী হয়ে যায়। তারা বলেন, ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মানুষ সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়বে।