ই-পাসপোর্ট মুজিববর্ষের উপহার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে জনগণের জন্য উপহার ই-পাসপোর্ট।

আজ (বুধবার) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে অধিকতর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করেন তিনি।

এরমধ্য দিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নিরাপদ করতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের ১১৮টি দেশে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-পাসপোর্ট বা বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট। সেই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯ তম ই-পাসপোর্ট ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় নাম লেখালো বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধানমন্ত্রী‌কে ই-পাস‌পোর্ট হস্তান্তর ক‌রেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপ‌তিত্বে অনুষ্ঠা‌নে আরও বক্তব্য রা‌খেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের সুরক্ষা সেবা বিভা‌গের স‌চিব মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান, জার্মান দূতাবাস ঢাকার রাষ্ট্রদূত পিটার।

নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে ৩ দিনে, জরুরিতে ৭ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনের পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে পুরোনো অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে, জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে দেয়া হবে।

ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর। ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।

আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার। ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

ই-পাস‌পো‌র্টের প্রকল্প প‌রিচালক বি‌গ্রে‌ডিয়ার জেনা‌রেল সাইদুর রহমান খান অনুষ্ঠানে এক‌টি তথ্য‌চিত্র উপস্থাপন ক‌রেন।