ইরানে পৌঁছেছে সোলাইমানির মরদেহ

মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মরদেহ ইরানে পৌঁছেছে। আজ রোববার ভোররাতে ইরাক থেকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় আহওয়াজ বিমানবন্দরে তার মৃতদেহ পৌঁছায়। এ সময় আহওয়াজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের শীর্ষস্থানীয় শত শত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার (০৫ জানুয়ারি) সকালে সোলেইমানির মরদেহ ইরানে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম ইরিব নিউজ।

এর আগে গতকাল শনিবার ইরাকের কাজেমাইন, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফ শহরে জেনারেল সোলাইমানি ও তার সহযোদ্ধাদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইরাকের লাখ লাখ মানুষ এসব জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় খুজিস্তান প্রদেশের কেন্দ্রীয় শহর আহওয়াজে জেনারেল সোলাইমানির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ নগরীতে। সেখানে দুপুরে ইমাম রেজা (আ.)’র মাজার প্রাঙ্গণে আরেক দফা জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর যথাক্রমে তেহরান, কোম ও জেনারেল সোলাইমানির জন্মস্থান দক্ষিণ ইরানের কেরমান শহরে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে জেনারেল সোলাইমানির ওসিয়ত অনুযায়ী কেরমানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।

শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। ওই হামলায় জেনারেল সোলাইমানির সঙ্গে ইরাকের জনপ্রিয় সরকারপন্থি স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবি’র উপ-প্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিসসহ দুই দেশের মোট ১০ জওয়ান ও কমান্ডার নিহত হন

এদিকে, শনিবার রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে দুটি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, বাগদাদের সুরক্ষিত গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আঘাত করেছে দুটি মর্টারের গোলা। তবে এসব হামলায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে ইরাকি নিরাপত্তা সূত্র।

ওই হামলার পর ইরানের ৫২ স্থানে কঠোর হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।