ইরানের ৫২টি স্থানে হামলার হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরানের প্রধান সামরিক কামান্ডার কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার জবাবে ইরান হামলা চালালে দেশটির অন্তত ৫২টি স্থানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (০৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় একের পর এক টুইট বার্তায় ইরানকে এমন হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন ৫২টি স্থাপনা লক্ষ্য করেছে যা ইরানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।ইরানের সাংস্কৃতিক দিক থেকেও এসব স্থাপনা তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ডস কমান্ডার জেনারেল গোলাম আলী আবু হামজাহর উদ্বৃতি দিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আবু হামজাহ বলেছেন, ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবসহ ৩৫টি লক্ষ্যবস্তু আমাদের আওতায়। কাজেই কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে যেখানে আমেরিকানরা আমাদের আওতায় থাকবে, সেখানেই তাদের শাস্তি দেয়া হবে।

এছাড়াও পারস্য উপসাগরের জাহাজগুলো সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে আশঙ্কা জাগিয়েছেন সোলাইমানির নিজ শহর কেরমানের বিপ্লবী গার্ডসের এই কমান্ডার। সোলাইমানির হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার অধিকার ইরানের রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পশ্চিমাদের জন্য হরমুজ প্রণালী খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পানিপথ। এখান দিয়ে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধজাহাজের বড় একটা সংখ্যক চলাচল করে। আগে থেকেই এ অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলো শনাক্ত করে রেখেছে ইরান।

এছাড়া মার্কিন প্রতিশোধের ইঙ্গিত জানিয়ে একটি মসজিদের চূড়ায় যুদ্ধের লাল ঝান্ডাও উড়িয়েছে দেশটি। ইরাকের বাগদাদেও সোলেইমানির শোক মিছিলে অংশ নেয় হাজারো মানুষ। সেখানে ট্রাম্প বিরোধী ম্লোগান দেয় ইরাকিরা।

এদিকে শনিবার (০৪ জানুয়ারি) রাতে ইরাকের বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। এতে ৫ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। তবে এ রকেট হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধের শঙ্কায় সব পক্ষকেই ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।