ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে সংযমের আহ্বান জানালেন সৌদি যুবরাজ

ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরামর্শ করেনি। রোববার এক কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতেই সৌদি আরবের আগ্রহ বলে বলে জানা গেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে সৌদি আরব।
এক সৌদি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, মার্কিন হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দ্রুত উত্তেজনা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থেকে সংযম চর্চায়ই গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। কারণ এতে মারাত্মক পরিণতি নিয়ে আসতে পারে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই আহ্বান জানিয়েছে। আর শনিবার ইরাকি প্রেসিডেন্ট বাহরাম সালেহকে ফোনে উত্তেজনা কমাতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে জোর দিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।
আশসারক আল-আওসাত পত্রিকার খবরে এমন তথ্য জানা গেছে। পত্রিকাটি বলছে, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রিন্স খালিদ। ইরানের দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন নিহত মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। তাকে হত্যার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য নতুন করে জ্বলে উঠার আশঙ্কা রয়েছে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত– দেশদুটি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানি পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে তারা। এর আগে সেপ্টেম্বরে সৌদি তেল স্থাপনায় বিপর্যয়কর হামলায় ইরানের মুখোমুখি না হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক পদক্ষেপ নিয়েছে রিয়াদ ও আবুধাবি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার সক্ষমতা রয়েছে ইরানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠীর। কৌশলগত জলপথটি ইচ্ছা করলেই বন্ধ করে দিতে পারে ইরান।